Exceptional Graphic Design & Premium Printing

We help bring your brand to life with stunning visuals and high-quality printed materials. Let's start your project today.

Explore Our Work
Creative Design

Our Services

Graphic Design

Professional logo design, corporate branding, social media kits, and UI/UX layouts tailored for your business.

Printing Solutions

High-end business cards, flyers, brochures, custom t-shirt printing, and premium product packaging.

Brand Identity

We build a complete, cohesive visual identity system that helps your business stand out from the competition.

Packaging Design

Creative and structure-focused label, bottle, and box packaging designs that elevate your product presence.

Visual Content

High-engaging vectors, custom illustrations, infographics, and motion graphics for digital media.

Marketing Campaigns

End-to-end promotional visuals, banner ad designs, and print materials for seamless brand campaigns.

Our Recent Portfolio

Project 1

Modern Brand Identity

Complete corporate rebranding project including minimalist logo, stationery, and color psychology implementation.

Project 2

Premium Box Packaging

Eco-friendly and luxury product box design with precise die-cut guidelines for printing presses.

Project 3

Commercial Flyer Printing

Eye-catching high-resolution promotional flyers designed and calibrated for offset printing processes.

Project 4

Social Media Banner Kit

A set of high-converting social media templates designed to maintain brand uniformity across channels.

Project 5

Corporate UI/UX Design

Modern, user-centric website interface design wireframes optimized for both web and mobile displays.

Project 6

Custom Vector Illustration

Flat and modern vector artworks carefully layered for marketing materials and websites.

Project 7

Luxury Business Cards

Minimalist business card concepts designed with spot UV and gold foil textures in mind.

Project 8

Creative App Icons

Distinctive, memorable application icon designs crafted following modern design systems.

Project 9

Book Cover Graphics

Artistic and eye-catching book cover layout designed for standard commercial publishing sizes.

About Us

Who We Are

We are a team of passionate graphic designers and printing experts dedicated to transforming your creative ideas into reality. With years of experience in the creative industry, we bridge the gap between digital art and physical prints.

Whether you need a modern logo or bulk commercial printing, we ensure top-notch quality, timely delivery, and unparalleled support.

Work With Us

Get In Touch

Have a project in mind or want a custom quote? Reach out to us through any of the channels below.

Email Us

info@yourdomain.com

Call Us

+880 1234 567890

Our Studio

Dhaka, Bangladesh

Thursday, June 22, 2017

Your PC Additional Internet Data Costs

Over Data Charging বা অতিরিক্ত ডাটা চার্জ। প্রায় সব ব্যবহারকারীই প্রথম অবস্থায় এই সমস্যার সম্মুখীন হন।

কাজের ধারাঃ

প্রথমে আপনার কম্পিউটারের স্টার্ট মেনুতে যান। এরপর নিচের স্ক্রিনশট গুলো পর্যায়ক্রমে ফলো করুন।
প্রথমে নিচের চিত্রের মত Start মেনু থেকে Control Panel এ যান।


তারপর System & Security এর আইকনে ক্লিক করুন (View By Category Mode করে নিয়েন Right Corner থেকে তাহলে নিচের মত আসবে)


তারপর নিচের চিত্রের মত Windows Update এ ক্লিক করুন


তারপর নিচের মত Change Settings এ ক্লিক করুন


এখান থেকে নিচের মত সর্বশেষ (Never Check For Updates) লেখাটিতে ক্লিক করে OK দিন।


ব্যাস ১ম পর্যায়ের কাজ শেষ।

২য় পর্যায়- (ব্রাউজারে ডাটা সেভার চালু করা)
এ পর্যায়ে জনপ্রিয় ২টা ব্রাউজারে (Google Chrome & Mozila) ডাটা সেভার অন করার প্রক্রিয়া দেখানো হবে।
প্রথমে চরম ব্রাউজারে ওহ সরি, ক্রোম ব্রাউজারে ঢুকুন এবার স্টেপ বাই স্টেপ স্ক্রিনশট ফলো করুন-


Then


Then,,নিচের মত সা্র্চ বক্সে Data Saver লিখে এন্টার চাপুন 


তারপর Add Extensions এ ক্লিক করলেই ব্রাউজারে ডাটা সেভার অন হয়ে যাবে।


তারপর নিচের এ্যারো চিহ্নের মত আইকনটিতে ক্লিকে দেখুন আপনার ডাটা সেভার কাজ শুরু করে দিয়েছে।(অন অফ করতে ব্লু টিক চিহ্নে ক্লিক করবেন)


ব্যাস ক্রোমের কাজ শেষ। এবার মর্জিনা খালার পালা। 
আই মিন মজিলা ফায়ারফক্সের পালা।
তো প্রথমে আপনার মজিলাতে ঢুকুন তারপর স্টরপ বাই স্টেপ নিচের চিত্রগুলো ফলো করুন-








ব্যাস আপনার সবকাজ শেষ।
এই পদ্ধতিগুলো অনুসরন করে আপনি পূর্বের থেকে অনেক বেশী ডাটা সাশ্রয় করতে পারবেন। 

কারো বুঝতে কোনো সমস্যা হলে নিচের ভিডিও দেখে সহজেই কাজগুলো করতে পারেন। এই পোস্টের স্টেপ বাই স্টেপ ভিডিও লিংক-

Our 7 Technical Misconceptions

এই আর্টিকেলটি হয়ত একটু বোরিং হতে চলেছে কেননা আজ আমরা আলোচনা করব আমাদের ৭টি প্রযুক্তিগত ভুল ধারনা নিয়ে ।

বেশি কোর বেশি স্পীড :

মাদের ল্যাপটপ, মোবাইলে প্রোসেসর লাগানো থাকে ; যেখানে আমরা দেখতে পারি একাধিক কোর।ডুয়াল কোর, কুয়াড কোর, হেক্সা কোর যত বেশী কোর তত স্পীড। আমরা এই বিশ্বাসই সবসময় করে থাকি। আমার ফোন কোয়াড কোর, ওক্টাকোর,হেক্সাকোর এইসব বলে থাকি। কিন্তু কোর দিয়ে প্রোসেসর এর মান যাচাই করা বোকামী ছাড়া আর কিছু না। আপনার ফোনে ১০ কোর এর প্রোসেসর ; অন্যদিকে অ্যাপেল এর এ৯,এ১০ প্রোসেসর এসে আপনার ফোনকে একদম গুড়িয়ে দিয়ে চলে যাবে ; যেখানে দেখা যাবে তাদের কোর সংখ্যা মাত্র ২ টি। তাই বেশী কোর বেশী স্পীড এ ধারনা দূরে সরে দিয়ে ; ভালো ব্যান্ড এর প্রোসেসর ভালো স্পীড এ কথায় বিশ্বাসী হতে হবে।

বেশি সাইজ – ভালো ভিডিও কোয়ালিটি :

অনেক সময় আমরা বলে থাকি যে ৪কে ভিডিও এইচডি এর অপেক্ষা আরও বেশী ক্লিয়ার। আবার অনেক সময় আমরা যখন সিনেমা ডাউনলোড করি ২ জিবি ; তখন ভাবি এটা অবশ্যই ১ জিবি একই সিনেমার থেকে আরও ভালো কোয়ালিটির হবে। এটা আসলে বলতে গেলে ভুল ধারনা। এখানে এটিও নির্ভর করে সেটা ভিডিওর এনকোডিং কিভাবে করা হয়েছে, সোর্স ফাইল এর সাইজ কত ইত্যাদি। তাই শুধু ওই ভিডিও এর রেজুলেশন এবং সাইজ দিয়ে আপনি ভিডিও কোয়ালিটি বিচার করতে পারবেন না। ৫০ লক্ষ টাকার রেড ৬কে ক্যামেরা এবং আইফোন ৭ একইসাথে রেখে ভিডিও করলে ৯৫% একই মানের ফুটেজ পাওয়া সম্ভব।

তেলের পাম্পে মোবাইল ফোন বন্ধ করুন :

আমাদের দেশে একটি বিষয় প্রচলিত আছে ; তা হল তেলের পাম্পে। পেট্রোল পাম্পে মোবাইলে কথা বলা যাবে না ; কথা বললে বা ফোন চালু রাখলে বিস্ফোরন হতে পারে। আরে ভাই ফোনের ভিতর কী কয়লার খনি আছে আছে যে আগুন লাগবে? আর আগুনে পেট্রোল ব। তেল বিস্ফোরিত হবে। সুতরাং এর পর থেকে গ্যাস স্টেশন / তেলের পাম্পে মোবাইলে কথা বলুন, চালু রাখুন বা পাম্পে দিয়ে মোবাইল ভাঙ্গাভাঙ্গি করুন ; কিছুই হবেনা। 


গরিলা গ্লাস মানে কথাই নাই :

আমরা ভাবি আমদের ফোনে গরিলা গ্লাস রয়েছে ; মানে আমাদের ফোন ভাঙ্গার,স্ক্র্যাচ পরার কোন ভয়ই নেই। তবে এটা ভুল ধারনা। গরিলা গ্লাস একটু মজবুত বেশী, স্ক্র্যাচ কম পরে ; তবে একদমই ভাঙ্গেনা বা স্ক্র্যাচ পরে না এটা ভুল ধারনা। আপনার গরিলা গ্লাসওয়ালা ফোন বালুর ওপর একটু ঘসলেই টের পাবেন। আবার অনেক ক্ষেত্রে হাত থেকে পরে গরিলা গ্লাসও ভেঙ্গে যায়; এখন সেটা ভিত্তি করে ঘটনার ওপর। হাতুর দিয়ে পিটালে বুলেট প্রুফ গ্লাসও বেঙে যায়।

বিমানে ফোন বন্ধ রাখতে হবে :

যদিও এই আর্টিকেলটি যারা পরছেন এর ভিতর বিমানে যাতায়াত করে এমন মানুষ হয়ত ১%। তবুও জেনে রাখা ভালো। বিমানে ওঠার ক্ষেত্রে আমরা নানা কথা শুনি ; ফোন এরোপ্লেন মোড এ রাখতে হবে, ফোন ওফ করতে হবে ; না হলে বিমানে রেডিও সিংনাল কে বাধাগ্রস্হ করবে ; আর বিমান রাডার এর সাথে সংযোগ রাখতে পারবে না ক্র্যাস করবে। 

মোবাইল এর সিংনাল প্রযুক্তি আর বিমান এর রেডিং প্রযুক্তি একদম আালাদা ; এই দুটি এক হয়ে সমস্যা সৃষ্টি করার কোন প্রশ্নই আসে না। যেমন : গরু ছাগল একি মাঠে ঘাষ খায় কেউ কারো সমস্যা করে না ?।

যতবেশী Mah – ততবেশী ব্যটারি ব্যাকআপ

ব্যাটারির যত বেশী এমএএইচ তত বেশী ব্যাকআপ দিবে ফোনকে! এমেএইচ বেশী মানে ক্যাপাসিটি বেশি এটা ঠিক ; তবে কত ব্যাকআপ দিবে তা নির্ভর করবে আপনার ডিভাইস এর হার্ডওয়্যার এর ওপর। এখন আপনার ডিভাইস এর ডিসপ্লে বেশী এনার্জি কনজিউম করে, আর আপনার ব্যাটারি ৩০০০ Mah তখন দেখা যাবে ২০০০ Mah এর ডিভাইস থেকে আপনার ডিভাইস তাড়াতাড়ি শেষ হচ্ছে।


ডলবি সাউন্ড মানে ফাটাফাটি :

অনেক সময় আমাদের কেনা ডিভাইস এ লেখা থাকে ডলবি সাউন্ড টেকনোলজি। অর্থাত ডলবি সাউন্ট ব্যবহার করা হয়। এতে আমরা মনে আমাদের ডিভাইস এর অডিও আউটপুট হবে মধুর। এটিও ভুল ধারনা এখন আপনি যদি লো কোয়ালিটি গান তুলে শোনেন তাহলে ডলবি কিছুই করতে পারবেনা ; অর্থাত নির্ভর করে মূল সোর্স কোন কোয়ালিটির তার ওপর। আবার যদি ফুটপাত থেকে ১০ টাকা দিয়ে হোডফোন কিনে গান শোনেন তখনও ডলবি কিছু করতে পারবে না।

How does the photocopier machine work? Digital and analog methods - How does the scanner work?

ফটোকপি মেশিন এর সাথে তো অনেকেরই পরিচয় আছে; তা আপনারা ব্যবহারও করেছেন। সাদা-কালো,কালার,ছোট-বড় বিভিন্নভাবে ফটোকপি করেছেন। আপনি কি জানেন কিভাবে এটি কাজ করে? 

অ্যানালগ পদ্ধতি :
এখানে মেশিন দেখতে অনেক বড়; তবে ভিতরের যে কনসেপ্ট তা খুবই সিম্পল।এখানে খুব সহজেই যেকোন কাগজ;যা মুদ্রিত বা লিখিত খুব সহজেই কপি করা যায়।তবে কিভাবে? এখানে প্রথমে হয় কি; সেটা হল যে গ্লাসটা থাকে সেখানে আপনি আপনার কাগজটি রাখেন।এখানে নিচে থেকে একটা আলো স্ক্যান করে সেই কাগজকে।আর এই সময় যা হয়; ওই আলো আসে আপনার কাগজের ওপর আর সেখান থেকে সেটি; প্রতিফলিত হয়ে চলে যায় নিচে একটি বড় ড্রামের ওপর। এখানে আপনার কাগজে যা আছে প্রতিফলিত আলো ওই একই প্যাটার্নেই থাকবে। আর কাগজ যে একটি আলো স্ক্যান করা শুরু করল ড্রামটিও ঠিক একই মুহূর্তে ঘোরা শুরু করবে।

এখানে ওই ড্রামটি ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক্যালি চার্জড অবস্হায় থাকে। এখানে কাগজের ছাপা অংশ কোন আলো প্রতিফলিত করে না। তাই এখানে ড্রামের অন্ধকার অংশ যেখানে আলো পরেনি;তা পজিটিভ চার্জে চার্জিত হত। আর ফটোকপি মেশিন এর ভেতর থাকে একটি টোনার; যা থেকে প্রতিনিয়ত কালি স্প্রে হতে থাকে; এই কালিটি হয় নেগেটিভ চার্জে চার্জিত হয়ে থাকে। তাই এটি ড্রাম এর পজিটিভ অংশের সাথে আঠারমত আটকে থাকে।এর ভেতর যখন কাগজ ঢুকানো হয়;একে পজিটিভ চার্জে চার্জিত করা হয় এবং ড্রাম থেকে কার্বন পাউডার এর প্যাটার্ন তার গায়ে তুলে আনে। এরপর গরম রোলারে কাগজকে চালিয়ে কালিকে পার্মানেন্টভাবে কাগজের গায়ে লেগে দেয়া হয়।অত:পর বেরিয়ে আসে সেই কপি হওয়া কাগজ। এই পদ্ধতিটি বহু আগে থেকে চলে আসছে। ফটোকপির এই প্রক্রিয়াটি অ্যানালগ পদ্ধতি।


ডিজিটাল পদ্ধতি :
তবে বর্তমানে ধীরে ধীরে যে নতুন ফটোকপি সিস্টেমটি প্রচলিত হচ্ছে; এটি ডিজিটাল পদ্ধতি এবং এর কনসেপ্ট পুরোপুরি আলাদা। এখানে কপি হওয়া পেজ এর সাইজ সাইজ ছোট করা যায়, কালার কনট্রাস্ট বদলানো যায়; আবার তা ডিজিটালি স্টোর করা যায়। এখানে কনসেপ্টটা পুরোপুরিভাবে চেঞ্জড। এখানে আপনার কাছে যা থাকে তা হল একটি সেন্সর। যা মূলত আপনি যে কাগজ এর ফটোকপি করবেন তার একটি ছবি ক্লিক করে।এখানে প্রিন্টিং প্রোসেস একই, তবে আগের মত ওই লাইট রিফ্লেকশন প্রক্রিয়ায় বদলে এখানে করছে ডিজিটাল লেসার বা ক্যামেরা প্রক্রিয়া। এখানে আপনি কাজটি হচ্ছে সিম্পল ছবি ক্লিক করার মাধ্যমে। যা হচ্ছে একটি CCD সেন্সর এর মাধ্যমে। যার পূর্নরূপ হচ্ছে Charge Coupled Device। এটি একধরনের সেন্সর যা আগেকার ক্যামেরায় ব্যবহার করা হত। তবে বর্তমানে ক্যামেরায় BSI, CMOS এর মত আরও উন্নত উন্নত সেন্সর ব্যবহার করা হয়। তবে ফটোকপি মেশিনে CCD দিয়ে কাজ চলে যায়।

এখন স্ক্যানার এর কনসেপ্টটাও একই; আপনি কম্পিউটারে যে স্ক্যানার ডিভাইস ব্যবহার করেন; তা একইভাবে ডকুমেন্ট কম্পিউটারে ডিজিটালি স্টোর করে।

Wednesday, June 14, 2017

All smartphones sensors used in their work (details)

আপনারা সবাই তো সেন্সর সম্পর্কে কম বেশি জানেন এগুলো গ্যাজেটস বা প্রযুক্তি পন্যে স্নায়ুকোষ হিসেবে কাজ করে।আপনারা কি জানতে চান? কোন সেন্সর এর কাজ কি? আজ আমার পোস্ট এই সেন্সর নিয়ে।আশা আজকের পোস্টটি সবার ভালো লাগবে।

Accelerometer

এই সেন্সরটি ফোনের সফটওয়্যার কে বলে দেয় ফোন বা ডিভাইসটি কিভাবে ধরা রাখা হয়েছে এবং এই জন্য তাকে কি করতে হবে।যেমন : ব্যবহারকারী ফোনের।  auto-rotation এনেবল করে রাখলে ফোন বা ডিভাইস সোজা করে ধরে রাখলে সবকিছু সোজা দেখাবে বা Portrait মোড এ থাকবে আবার বাকা করে ধরলে Landscape  মোড এ দেখা যাবে।

অনেক ডিভাইস এ বেশ কিছু advanced  ফিচার রয়েছে ; কল আসলে ডিভাইস উল্টো করে রাখলে কল silent মোড এ চলে যাবে; আবার ডিভাইস উল্টো করে রাখলে পাওয়ার সেভিং মোড এ চলে যাবে,এই সবই Accelerometer সেন্সর এর সাহায্যেই হয়।

Gyroscope

Accelerometer এর থেকে আরেকটু আপগ্রেড হল Gyroscope বা Gyro. Sensor। এটি সফটওয়্যার কে ডিভাইসটি কত অ্যাঙ্গেল বা কত ডিগ্রীতে রাখা আছে এ বিষয়ে।বর্তমান সময়ে বেশ কিছু গেমস বিশেষ করে সিমুলেটর বা রেসিং গেমস এর কন্ট্রোল সম্পূর্ণ ভাবে Gyro. Sensor এর ওপর নির্ভরশীল।তাছাড়াও ৩৬০ ডিগ্রী ছবি তোলার জন্য এই সেন্সর এর বিকল্প নেই।

Magnetomete

প্রথমত এটি ডিভাইস এ কম্পাস এর কাজ করে; এই সেন্সর ছাড়া ম্যাপ বা কম্পাস অ্যাপলিকেশন এ অবস্হান পূর্ব-পশ্চিম বা উত্তর-দক্ষিন নির্নয় করা যাবে না।
দ্বিতীয়ত এটি মেটাল ডিটেক্টর এর কাজ করবে।যেহেতু চুম্বক তাই ডিভাইস এর আসে পাশে মেটাল এর সন্ধান পেলে এর আউটপুট এর পরিবর্তন হয়ে অ্যাপ বা ডিভাইসকে মেটাল এর অস্তিত্ব সম্পর্কে জানাবে।

Proximity Sensor

স্মার্টফোন এর বাইরের দিকে সাধারনত ফ্রন্ট ক্যামেরার পাশে একে দেখতে পাওয়া যায়।এর কাজ মূল কাজ হল স্ক্রীন এর আসেপাশে অদৃশ্য আলো ফেলে নড়াচড়া পর্যবেক্ষণ করে সে অনুযায়ী সফটওয়্যারকে অবগত করা। মোবাইলে কথা বলার সময় যখন আমরা ফোন কানের কাছে ধরি তখন স্ক্রীন অটোমেটিক অফ হয়ে যায়,আর এতে করে
কথা বলার সময় স্ক্রীন অফ হয়ে যাওয়ার কারণে ব্যাটারি সাশ্রয় হয়।
কথা বলার সময় স্ক্রীন অফ হয়ার কারনে গাল বা কান দ্বারা স্ক্রীনে কল হোল্ড বা কল স্পিকার ইত্যাদি বাটনে চাপ লাগে না আর এতে করে নির্বিঘ্নে কথা বলা যায়।
বর্তমানে motorola সহ বেশ কয়েক ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনে এই সেন্সর এর ব্যবহার বেশি পরিমানে দেখা যায় আর এর মাধ্যমে ফোনের স্ক্রীন এর ওপর হাত ঘুরালেই ফোন অন হয়া সহ আরও অনেক গুরুত্ব পূর্ন কার্য়কলাপ করা সম্ভব হয়।

Light Sensor

যে ডিভাইসে এ সেন্সরটি থাকে তার আসে পাশেই Proximity সেন্সর এর অবস্হান।আর এই সেন্সর এর মূল কাজ হল ফোনেট ব্রাইটনেস এডজাস্ট করা।এই সেন্সর এর কারনে বেশি আলোকিত জায়গায় স্মার্টফোন বা অন্যান্য ডিভাইস ব্যবহার করলে ব্রাইটনেস অটোমেটিক বেড়ে যায়,আবার কম আলোকিত জায়গায় গেলে ব্রাইটনেস অটোমেটিং কমে যায়।

Barometer

এই সেন্সর এর কাজ হল বায়ুমন্ডলীয় চাপ নির্নয় করা এবং সমুদ্রপৃষ্ট থেকে কত উচুতে রয়েছে তা নির্নয় করা।স্মার্টফোনে যদি gps থাকে তবে আরও নিখুতভাবে অবস্হান সনাক্ত করা সম্ভব হবে।আবার অনেক সময় অনেক Health related অ্যাপস এ আমরা দেখতে পারি কত সময়ে কতটুকু উচু বা নিচুতে আমরা উঠানামা করছি,এটি এই সেন্সর এর মাধ্যমে নির্নয় করা হয়।

Thermometer

সাধারনত প্রত্যেক স্মার্টফোন এবং ডিভাইস এ ইন্টারনাল থার্মোমিটার থাকে;  আর এর মাধ্যমে ফোনের cpu, battery ইত্যাদি যন্ত্রপাতি এর তাপমাত্রা নিনর্য় এবং সে অনুযায়ী সেটি সফটওয়্যার কে তথ্য পাঠায়।
তবে বর্তমানে বেশ কিছু স্মার্টফোন ও ডিভাইস এ এক্সটারনাল থার্মোমিটার দেখা যায়;  আর এর মাধ্যমে আসে পাশের পরিবেশ এর তাপমাত্রা নির্নয় করা সম্ভব হয়।

Air Huminity Sensor

এর মাধ্যমে আসে পাশের পরিবেশের huminity বা ঘনত্ব নির্নয় করা যায় ;  আরও নির্নয় করা যায় সে জায়গাটি থাকার উপযোগী কি/না। এটি বেশি স্মার্টফোনে দেখা যায় না।

Padometer

এটি Accelerometer এর advanced ভার্সন, এর মাধ্যমে কত পা হাটা হল তা একদম শুদ্ধভাবে পরিমাপ করা যায়; Accelerometer এর মাধ্যমে অনেকসময় বিশেষ অ্যাপ এর মাধ্যমে এ কাজ করা যায় তবে তা নির্ভূল হয় না।

Radiation Sensor

বিশেষ করে জাপানের স্মার্টফোন ও স্মার্ট ডিভাইস গুলোতে এ সেন্সর বেশি দেখা যায় আর এর মাধ্যমে আসে পাশের যন্ত্র ; এবং প্রকৃতি থেকে আাসা ক্ষতিকর রেডিয়েশন সম্পর্কে অবহিত হওয়া যায়।

Fingerprint Sensor

বর্তমান সময়ে আমরা বেশির ভাগই এই সেন্সর এর সাথে পরিচিত। এই সেন্সর এর ব্যবহার ব্যাক্তি গোপনীয়তা রক্ষায় এনেছে এক নতুন মাত্রা; এর মাধ্যমে ফোন লক আনলক সহ প্রাইভেসি সম্পর্কিত আরও অনেক কাজ সহজেই করা যায়।এখন প্রায় নতুন স্মার্টফোন এ এই সেন্সর এর দেখা পাওয়া যায়,অচিরেই প্রায় সব ফোনেই এই সেন্সরটি পাওয়া যাবে আশা করা যায়।

Heart Rate Sensor

এই সেন্সর এর মাধ্যমে হৃদস্পন্দন মাপা যায়,এবং বিশেষ বিশেষ অ্যাপ এর ব্যবহারে হৃদরোগ সমন্ধে নানা তথ্য সম্পর্কে অবহিত হওয়া যায়;  স্যামসাং এর গ্যালাক্সি ও নোট সিরিজের বেশ কয়েক স্মার্টফোনে এটি রয়েছে।

Blood Oxyzen Sensor

এই সেন্সর এর মাধ্যমে মানব শরীরের ও রক্তের অক্সিজেন এর মাত্রা সম্পর্কে জানা যায়। স্যামসাং এর গ্যালাক্সি ও নোট সিরিজের বেশ কয়েক স্মার্টফোনে এটি রয়েছে।

সূত্রঃ পিসিহেল্পলাইনবিডি

Your Smartphone Firefox Browser Free all website Save PDF file (With screenshots)

যেকোন ওয়েবসাইট ফ্রীতে পিডিএফ ফাইল আকারে সেইভ করে রাখতে পারবেন। যা পরবর্তীতে অফলাইনে দেখতে পারবেন।

আমার মতে মজিলা ফায়ারফক্সের এই সুবিধাটি অনেক কাজের। কারণ, ধরুণ আপনি কোন ওয়েবসাইটে ব্রাউজ করলেন। এখন এই ওয়েবসাইটের টিউটোরিয়ালটি দেখে আপনার ভালো লাগলো বা টিউটোরিয়ালটি অনেক কাজের এবং যা আপনার পরবর্তীতে কাজে লাগবে, তখন আপনি কি করবেন। হয়তো বুকমার্ক করে রাখবেন। এটা করলে আপনাকে আবার পরবর্তীতে পোস্টটি দেখতে হলে নেট কানেকশন লাগবে। আর আপনি যদি তা পিডিএফ আকারে সেইভ করেন তাহলে তা আপনি সম্পূর্ণ অফলাইনে দেখতে পারবেন। আপনি যখন এটি পিডিএফ আকারে সেইভ করে রাখবেন। তা পরবর্তীতে যেকোন সময় আপনি পড়তে পারবেন এবং যেখানে ইচ্ছা সেখানে পিডিএফ ফাইলটি নিতে পারবেন। মানে কম্পিউটার, মোবাইল যেখানে ইচ্ছা সেখানে। তো কিভাবে আপনার অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারের মাধ্যমে ফ্রিতে যেকোন ওয়েবসাইট পিডিএফ আকারে সেইভ করবেন তা আমি স্ক্রিনশটসহ তুলে ধরলাম। যাতে আপনার বুঝতে সহজ হয়। তো চলুন যানা যাক।
.
কিভাবে পিডিএফ ফাইল সেইভ করবেন :
মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারে যেকোন ওয়েবসাইট ফ্রিতে পিডিএফ আকারে সেইভ করতে নিচের স্ক্রিনশটগুলো ফলো করুন।
অ্যান্ড্রয়েডে মজিলা ফায়ারফক্সে ফ্রীতে যেকোন ওয়েবসাইট পিডিএফ আকারে সেইভ করতে প্রথমে আপনার মোবাইলের মজিলা ফায়ারফক্সে ঢুকুন।
 তারপর যেকোন ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন। যেমনঃ আমি এখানে আমার www.BanglarApps.ml সাইটটিতে ঢুকলাম। এবার আপনি আপনার দরকারি যেকোন টিউটোরিয়াল সেইভ করতে চান। আপনার পছন্দের টিউটোরিয়াল পাওয়ার পরে উপরের স্ক্রিনশটের মত মজিলা ফায়ারফক্সের অপশনে ক্লিক করুন।

উপরের স্ক্রিনশটে দেখুন, মজিলা ফায়ারফক্সের অপশনে ক্লিক করার পর “Request Desktop Site” এর নিচে “Page” নামের একটি অপশন আছে ওটাতে ক্লিক করুন।

এবার দেখুন এখানে একটা অপশন আছে, যার নাম “Save as PDF” এটাতে ক্লিক করুন। ব্যাস! এবার ঐ সাইটটি পিডিএফ আকারে সেইভ হবে। যা কিনা যেকোন ফাইল ডাউনলোড করলে যেভাবে ডাউনলোড হয় সেইভাবেই সেইভ হবে। পিডিএফ ফাইল সেইভ করতে কোন ডাটা / এমবি কাটবেনা একদম ফ্রী।
.
পিডিএফটি সেইভ হবে আপনার মোবাইলের ফোন মেমোরি অথবা মেমোরি কার্ডের “Download” নামক ফোল্ডারটিতে।



How safe is your Android phone?

বিটিআরসি’র তথ্য অনুযায়ী ১ মার্চ, ২০১৭ তারিখ পর্যন্ত দেশে মোট মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬ কোটি ৩১ লাখ।
বলার অপেক্ষা রাখে না যে, সহজ ব্যবহারবিধি, যেকোনো অ্যাপ ডাউনলোডের অবাধ স্বাধীনতা ও বাজেটসংগত বলে দেশীয় মোবাইল ব্যবহারকারীর সিংহভাগই অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারী। এত বিপুল সংখ্যক মানুষ এখানে স্মার্টফোন ব্যবহার করায় একদিকে দেশ যেমন তথ্য-প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে ক্রমশ বাড়ছে সাইবার হামলার ঝুঁকি।
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে গত বছরের তুলনায় এই বছর মোবাইল র‍্যানসমওয়্যার হামলা তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে মোট ২ লাখ ১৮ হাজার ৬২৫টি মোবাইল র‍্যানসমওয়্যার ফাইল শনাক্ত করা হয়েছে, যা এর আগের প্রান্তিকে শনাক্ত হওয়া ৬১ হাজার ৮৩২টির চেয়ে তিন গুণ বেশি।
দেশীয় অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের বেশিরভাগই ‘এমবি’ তথা ডাটা বাঁচাতে অ্যাপ ডাউনলোড না করে শেয়ারইট অন্যান্য মাধ্যমে এক মোবাইল ফোন থেকে অন্য মোবাইল ফোনে শেয়ার করে। এতে একদিকে যেমন ভাইরাস এক মোবাইল ফোন থেকে অন্যান্য মোবাইল ফোনে ছড়িয়ে পড়ে, ঠিক তেমনি নিয়মিত হালনাগাদ না হওয়ায় একে একে অ্যাপগুলিও হয়ে উঠে ভাইরাস ও ম্যালওয়্যারের সহজ টার্গেট।
এসব ভাইরাস ও ম্যালওয়্যারের কিছু কিছু এতটাই ভয়ংকর যে কোনোভাবে একবার ফোনে স্থান করে নেয়ামাত্র তা রিমোট অ্যাকসেস টুল হিসাবে ফোনের নিয়ন্ত্রণ সরাসরি হ্যাকারের হাতে তুলে দেয়। ফলে, ওই ফোন থেকে কাকে কল করা হচ্ছে বা কী কী এসএমএস পাঠানো হচ্ছেসহ সংরক্ষিত যাবতীয় তথ্য, ছবি চলে যায় হ্যাকারের কাছে। ফলে, শুধু ভাইরাস থেকে সুরক্ষাই নয় পাশাপাশি ফোনে থাকা অ্যাপসমূহের মাঝে কোনটি নিরাপদ ও কোনটি নয় তা জানার জন্যও অ্যান্ড্রয়েড ফোনের নিরাপত্তা আবশ্যক।
অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশি বহুজাতিকসাইবার সিকিউরিটি পণ্য রিভ অ্যান্টিভাইরাস সম্প্রতি বাজারে এনেছে ‘রিভ অ্যান্টিভাইরাস মোবাইল সিকিউরিটি’।
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমচালিত যেকোনো মোবাইল ফোন বা ট্যাবে রিভ মোবাইল সিকিউরিটি ইনস্টলড করা থাকলে যেকোনো ধরনের ভাইরাস, ম্যালওয়্যার বা অনলাইন থ্রেট থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষার পাশাপাশি ঘরে বসেই কাঙ্ক্ষিত ফোন ট্র্যাক করা যাবে। এজন্য মোবাইল কোম্পানি বা অন্য কোথাও যেতে হবে না। ঘরে বসে যেকোনো সাধারণ ফোন থেকে এসএমএস পাঠিয়ে বা ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়ে হারিয়ে যাওয়া ফোনের নিখুঁত অবস্থানসহ (কোথায় কোন বাড়িতে আছে) সাইলেন্ট বা ভাইব্রেশন মুডেও অ্যালার্ম বাজানো যাবে, ফোন লক করে দেয়া বা ডাটা মুছে ফেলা যাবে।
গুগল প্লে স্টোর থেকে REVE Antivirus Mobile Security ইনস্টল করে ৩০ দিনের ট্রায়াল ব্যবহার করা যাবে। এরপর চাইলে অ্যাপ থেকেই এক বছরে লাইসেন্স কিনে নেয়া যাবে। বিস্তারিত জানতে ভিজিট: www.reveantivirus.com অথবা কল করতে পারেন ০১৮৪৪ ০৭৯১৮১ নম্বরে।

– সিনিউজভয়েস ডেস্ক

Monday, June 12, 2017

How to delete your Gmail account? (Video)

আজ আমি আপনাদের জন্য একটি ভিডিও নিয়ে এসেছি,এই ভিডিওতে দেখানো হয়েছে কিভাবে খুব অল্প সময়ে কিভাবে আপনার Gmail Account delete করবেন !! How to Delete your gmail Account Permanently!
আমি ভিডিওতে সব কিছুই দেখিয়ে দিয়েছি এবং খুব অল্প সময়ে সহজেই বুঝিয়ে দিয়েছি।তারপর ও কোনো সমস্যা হলে টিউমেন্ট করবেন।

ভিডিওটি ভাল লাগলে অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করবেন।আমি সামনে আরও ভাল কিছু বিয়ে হাজির হব ইনশাল্লাহ।
ভিডিও টিউটোরিয়াল টি সরাসরি দেখতে এখানে ক্লিক করুন ঃঃ

Some simple steps to speed up Windows is Slow. (Video)

আজকে কিছু বেসিক এবং খুব সহজ কিছু পদ্ধিতি দেখাবো যেগুলো আপনার পিসিকে স্লোর হাত থেকে বাঁচাবে। আমরা অনেকেই এর ভুক্তাভুক্তি। কিন্তু জানা সত্তেও এই কাজ গুলো করি না। এর ফলে অনেক দিন ধরে উইন্ডোজ চালানোর পর দেখা যায় আমাদের উইন্ডোজটি ধীরে ধীরে স্লো হয়ে যায়। এর কারণ কিছু ফাইল আমাদের র‍্যামে জায়গা খেয়ে থাকে এবং তা দিন দিন বারতে থাকে, কিন্তু এই ফাইল গুলো ওই সময়ের জন্য প্রয়োজন লাগে পরবর্তীতে লাগে না, ডিলিট করে দিলে পরে আবার যখন ওই ফাইল রিলিটেড অ্যাপ্লিকেশান চালু করবেন অটো আবার ফাইল গুলো চলে আসবে।
এই পোস্টটি মুলত নতুন পিসি ইউজারদের জন্য। যারা বেশি দিন হয়নি পিসি কিনেছেন এই কাজ গুলো করলে আপনার পিসি কখনো স্লো হবে না আশা করি। নিচে ভিডিওটি দেখে শিখে নিন এবং কোন সমস্যা কমেন্ট করবেন।

The products that VAT

নতুন ভ্যাট আইনে মৌলিক খাদ্য, জীবন রক্ষাকারী ওষুধ, কৃষিপণ্যসহ ১ হাজারের বেশি পণ্য ও সেবায় ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবু নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক পণ্য ও সেবায় ভ্যাট রয়ে গেছে। এর ফলে ভোক্তার খরচ বাড়বে। নতুন আইনে ভ্যাট হার একটিই, যা ১৫ শতাংশ।
যেসব পণ্য বা সেবায় ১৫ শতাংশ ভ্যাট আছে, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিদ্যুৎ-গ্যাস, ইন্টারনেট, রেস্তোরাঁর খাবার, দেশি ব্র্যান্ডের পোশাক, আসবাবপত্র, সাবান, টুথপেস্ট, টুথব্রাশ, বোতলজাত পানি, কোমল পানীয়, সোনার গয়না, বাস-রেল-লঞ্চের এসি টিকিট, কুরিয়ার সার্ভিস, ফ্ল্যাট, রড, ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, ভাড়া গাড়ি, বড় দোকান, কমিউনিটি সেন্টার, ডেকোরেটর ও ক্যাটারার্স, মিষ্টির দোকান, সিনেমা হল, বিউটি পারলার, হেলথ ও ফিটনেস ক্লাব, ভিডিও গেমের দোকান। এ ছাড়া আড়াই কেজির বেশি মোড়কজাত বা টিনজাত মাছ-মাংস, শাকসবজি, আলু, ফলের জুস, ফল, ময়দা কিনলেও ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হবে। সূত্র: প্রথম আলো।

Monday, June 5, 2017

Windows 10 Keyboard Raccourcis

শর্টকাট মানেই তো সহজ পথ। তেমনি কি -বোর্ডের শর্টকাটের মাধ্যমে কম্পিউটারের অনেক কাজ করা যায় অতি সহজেই। এতে কাজে গতি বৃদ্ধির পাশাপাশি অনেক সময় বেঁচে যায়।
সম্প্রতি উন্মুক্ত হওয়া উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে যুক্ত হয়েছে বেশি কিছু নতুন কি-বোর্ড শর্টকাট। যেগুলো জানা থাকলে নতুন এ ওএস ব্যবহার করা হবে যাবে আরও সহজে।
নতুন বৈশিষ্ট্যগুলো ব্যবহারের জন্য রয়েছে নতুন নতুন শর্টকাট। এ টিউটোরিয়ালে উইন্ডোজ ১০-এর ১০টি শর্টকাট তুলে ধরা হলো। আপনাকে আর খুঁজে খুজে প্রতিটি শর্টকাট বের করতে হবে না।
Windows key +I চাপলে সেটিংস অপশন চালু হবে।
Windows key +A চাপলে নোটিফিকেশন সেন্টার খুলবে।
Windows key +Ctrl+Left চেপে ভার্চুয়াল ডেস্কটপ পরিবর্তন করে বামে যাওয়া যাবে।
Windows key +Ctrl+Right চেপে ভার্চুয়াল ডেস্কটপ পরিবর্তন করে ডানে যাওয়া যাবে।
Windows key +Ctrl+D চেপে নতুন ভার্চুয়াল ডেস্কটপ খোলা যাবে।
Windows key +Ctrl+F4 চেপে ভার্চুয়াল ডেস্কটপ বন্ধ করা যাবে।
Windows key + Left চেপে স্ন্যাপ উইন্ডো বাম সাইডে আনা যাবে।
Windows key + Right চেপে স্ন্যাপ উইন্ডো ডান সাইডে আনা যাবে।
Windows key + Tab চাপলে সব ভার্চুয়াল ডেস্কটপ একই সঙ্গে দেখা যাবে।
Windows key +S চাপলে ভয়েস কমান্ডের সেবা দিতে কর্টানা হাজির হবে।

Useful information should be kept secret

সাধারণত ক্রেডিট কার্ডের তথ্য, পাসওয়ার্ড বা গুরুত্বপূর্ণ যেকোনো তথ্য যাতে অসাবধানতায় অন্য কারও হাতে না পড়ে, সে জন্য তার নিরাপত্তা খুবই জরুরি। তৃতীয় পক্ষের (থার্ড পার্টি) অনেক সফটওয়্যার দিয়েই তথ্য গোপন রাখার কাজটি সারা যায়। তবে উইন্ডোজের কমান্ড প্রম্পট ব্যবহার করে খুব সহজেই তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে।
যা করতে হবে
শুরুতেই যে তথ্যগুলো লুকাতে চান, সেটি একটি নোটপ্যাড টেক্সট ফাইল বা ওয়ার্ড ডকুমেন্টে লিখে রাখুন। এবার Win Key + R চেপে রান চালু করুন। এখানে cmd লিখে এন্টার করে কমান্ড প্রম্পট চালু করুন। কমান্ড লাইনে F: লিখে এন্টার করুন। F-এর পরিবর্তে যেকোনো ড্রাইভের নাম লিখে সেখানেও ফাইলটি রাখতে পারেন। পরের কমান্ডে notepad ProthomAlo.txt:frdsmn.txt লিখে এন্টার করুন। এখানে লক্ষণীয়, ‘notepad’ লেখার পরের অংশে যে নামে ফাইলটি রাখতে চান, সেটি লিখতে হবে এবং কোলন (:) চিহ্নের পরের অংশে ফাইলের গোপন নাম লিখতে হবে। এখানে গোপন নাম দিয়েই পরবর্তী সময়ে সেই ফাইল খুলতে হবে। তাই সতর্কতার সঙ্গে ফাইলের নাম দুটি লিখুন। লেখা শেষে এন্টার বোতাম চাপলেই ‘Cannot find the…Do you want to create a new file?’ বার্তা দিয়ে জানাবে যে ওই নামের ফাইল কম্পিউটার খুঁজে পাচ্ছে না। এই নামে ফাইল খুলতে ইয়েস বোতাম চেপে আগের তৈরি করা ওয়ার্ড ফাইলের তথ্যগুলো এখানে লিখে বা পেস্ট করে CTRL+S চেপে নোটপ্যাডের ফাইলটি সেভ করে নিন। কমান্ড প্রম্পট উইন্ডোজ বন্ধ করে তৈরি ফাইলটি দেখতে চাইলে যে ড্রাইভে ফাইলটি রেখেছিলেন সেখানে যান। এবার তৈরি করা ফাইলে (ProthomAlo.txt) দুই ক্লিক করে খুললেই দেখবেন এখানে কোনো তথ্য দেখাচ্ছে না। ফাইলের তথ্যগুলো আবার দেখতে চাইলে আগের নিয়ম অনুসরণ করে কমান্ড প্রম্পট চালু করে নিন। যে ড্রাইভে (F:) এর আগে ফাইলটি সংরক্ষণ করেছিলেন, সেটি লিখে এন্টার করুন। তথ্য গোপনের জন্য এর আগে যে কমান্ডটি লিখেছিলেন, হুবহু সেটি আবার লিখে এন্টার চাপলেই সংরক্ষণকৃত তথ্যগুলো আবার দেখা যাবে। এভাবে পরের কোনো ফাইলের তথ্য গোপন করতে চাইলে আগের নিয়ম মেনে শুধু কমান্ড লাইনের গোপন নামটি (frdsmn.txt) বদলে দিয়ে পরের ধাপগুলো ঠিক ঠিক অনুসরণ করতে হবে।

Return Email Sent incorrectly

Send বাটনে চাপ দিতেই মনে পড়ে গেল ই-মেইলে যে ফাইলটি যুক্ত (অ্যাটাচড) করার কথা তা আদতে করা হয়নি। কিংবা বন্ধুর জন্য লেখা ই-মেইলে ভুল করে বসের ঠিকানা জুড়ে দিয়েছেন। ই-মেইল তো অনেকটা মুখের কথার মতোই—একবার বেরিয়ে গেল তো ফেরত নেওয়ার আর সুযোগ নেই। তবে ই-মেইল সেবাদাতাটি যদি জিমেইল হয়, তাহলে পাঠানো বার্তাটি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য অন্তত কিছুটা হলেও সময় পাবেন। ‘Undo Send’ নামের সুবিধার মাধ্যমে ভুল করে পাঠানো ই-মেইল তাৎক্ষণিকভাবে মুছে ফেলা বা থামিয়ে দেওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়। জিমেইল ল্যাবসে বছর ছয়েক আগে সুবিধাটি যোগ করা হলেও তা ছিল পরীক্ষামূলক। সে সময় এই সুবিধা নিজের জন্য যোগ করে থাকলে অবশ্য নতুন করে কিছু আর করতে হবে না। যদি নতুন করে যোগ করতে চান, তবে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
জিমেইলে ঢুকুন (লগ-ইন)।
পর্দার ওপরের দিকে ডান কোনায় গিয়ার আইকনে ক্লিক করুন।
Settings নির্বাচন করুন।
General ট্যাবের নিচে Undo Send অংশে যান।
Enable Undo Send-এ ক্লিক করুন।
পাশের তালিকা থেকে ৫, ১০, ২০ বা ৩০ সেকেন্ড সময় নির্বাচন করে দিন।
পর্দার নিচে Save Changes বোতামে ক্লিক করে নতুন সেটিংস সংরক্ষণ করুন।
এরপর প্রতিবার কোনো ই-মেইল পাঠানোর পরে ‘Your message has been sent’ লেখার পাশে Undo বোতাম দেখতে পাবেন।

The time or date in Windows 10 is incorrect

উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে অনেক সময় টাইম জোন ঠিক থাকলেও দেখানো সময়টা ভুল থাকে। এমনটা হলে সহজেই কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করে তা ঠিক করে নেওয়া সম্ভব। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের অন্য সংস্করণগুলোর মতোই পূর্বনির্ধারিত সময় বা তারিখ ঠিক করতে টাস্কবারের ডান পাশের কোনায় তারিখের অপশন থেকে সেট করা যাবে।
যা করতে হবে
টাস্কবারের ডান কোনার সময় এবং তারিখ দেখায় যেখানে, সেখানে ক্লিক করুন। ক্যালেন্ডারসহ সময় দেখাবে। এখানে Date and time settings লিংকে ক্লিক করুন। DATE & TIME সেটিংস চালু হলে Time zone এ খেয়াল করে দেখুন (UTC+6:00) Dhaka নির্বাচন করা আছে কি না। না থাকলে টাইম জোনের ড্রপডাউন তালিকা থেকে সেটি ঠিক করে নিন। এখন সঠিক সময় দেখতে পারবেন। না দেখালে আবার আগের নিয়মে সময় ও তারিখ সেটিংস চালু করে Set time automatically অপশন লেবেল সচল করে নিন। সঠিক সময় দেখতে পাবেন। লোকেশন সার্ভিস চালু করা না থাকলে স্বয়ংক্রিয় সময় সেটিংস চালু না করাই ভালো। তবে উইন্ডোজ টাইম সার্ভিস অপশন কনফিগার করা না থাকলেও অনেক সময় উলটা-পালটা তারিখ দেখাতে পারে। টাইম সার্ভিস কনফিগার করতে Win key + R একসঙ্গে চেপে রান চালু করুন। এখানে Services.msc লিখে এন্টার বোতাম চাপুন। টাইম সার্ভিস চালু হলে তালিকা থেকে Windows Time এন্ট্রি খুঁজুন। উইন্ডোজ টাইম এন্ট্রিতে রাইট ক্লিক করে properties নির্বাচন করুন অথবা ডাবল ক্লিক করতে পারেন। এবার General ট্যাবের Start type থেকে Automatic নির্বাচন করে নিচের Start বোতামে ক্লিক করুন। যদি ওপরের কৌশলগুলো কাজে না দেয় তবে নিজে (ম্যানুয়ালি) তারিখ ও সময় ঠিক করে দিতে পারেন। এতেও যদি কাজ না হয়, তবে ধরে নিতে হবে মাদারবোর্ডের সিমোস (CMOS) কিংবা বায়োস ব্যাটারিতে সমস্যা আছে।

What to do when watering on the computer?

ইলেকট্রনিকস যন্ত্রের সঙ্গে পানির সম্পর্ক ঋণাত্মক। পানিরোধী হলে ভিন্ন কথা, তবে যেকোনো তরল পদার্থের সংস্পর্শে এলে যন্ত্রপাতি কেমন যেন বেয়াড়া ছেলের মতো বিগড়ে যায়। হয় ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে, না হয় ঠিকঠাক কাজ করে না। তবে দ্রুত ব্যবস্থা নিলে হয়তো সাধের কম্পিউটার এ যাত্রায় রক্ষা করা সম্ভব হতে পারে। ধরে নিলাম ল্যাপটপ কম্পিউটারে কোনো কাজ করছেন, হুট করে এর ওপর এক গ্লাস পানি পড়ে গেল। এখন কী করবেন?
 প্রথমেই দেখে নিন আপনার হাত এবং কম্পিউটারের পাওয়ার বোতাম শুকনো কি না। দরকার হলে শুকনো তোয়ালের সাহায্য নিন। বৈদ্যুতিক শকের শখ থাকলে অবশ্য ভিন্ন কথা!
 কম্পিউটার বন্ধ করুন। স্টার্ট মেনুতে ক্লিক করে শাট ডাউন নির্বাচন করে অপেক্ষা করবেন? জরুরি অবস্থায় সরাসরি পাওয়ার বোতাম চেপে ধরুন, পাঁচ সেকেন্ডে কম্পিউটার বন্ধ হয়ে যাবে।
 বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিন। ল্যাপটপ কম্পিউটারের ব্যাটারি নন-রিমুভেবল না হলে ব্যাটারি খুলে ফেলুন। শক থেকে অন্তত এখন আপনি নিরাপদ।
 একে একে সব যন্ত্রাংশ খুলে ফেলুন। মানে যতটুকু সম্ভব। প্রথমে মাউস, ডেটা কেব্ল, পেনড্রাইভ—এসব। এরপর কম্পিউটারের পেছনের কভার খুলে যা সহজে খুলে ফেলা যায় যেমন র্যাম, হার্ডডিস্ক কিংবা এসএসডি খুলে ফেলুন।
 চটচটে কোনো তরল পড়লে পেশাদার মেরামতকারীর কাছে পরিষ্কারের জন্য পাঠানো ভালো। শুধু পানি পড়ে থাকে তবে নিজেই শুকিয়ে ফেলতে পারবেন। প্রথমে শুকনো কাপড় দিয়ে বাহিরটা মুছে ফেলুন। টেবিলে পানি পড়লে তা পরিষ্কার করে একটা শুকনো তোয়ালে বিছিয়ে দিন। এবার ল্যাপটপ কম্পিউটারের ঢাকনা খুলে তোয়ালের ওপর উপুড় করে কয়েক ঘণ্টা ওভাবেই রেখে দিন।
 এরপর সবকিছু আগের মতো ঠিকঠাক লাগিয়ে চালু করার চেষ্টা করুন। আশা করছি কাজ করবে। যদি চালু করা সম্ভব না হয় তবে মেকানিকের কাছে পাঠানো ছাড়া আর উপায় থাকছে না।

Annoying updates during Computer shutdown?

দিন কয়েক পরপরই উইন্ডোজ হালনাগাদ হতে দেখা যায়। উইন্ডোজ আপডেট চালু থাকলে এই হালনাগাদ আপনার অজান্তে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই হতে থাকে। এটা আপনার কম্পিউটারের নিরাপত্তার জন্যই। তবে কম্পিউটার বন্ধ করার সময়টায় এই হালনাগাদ করা সফটওয়্যার যখন ইনস্টল নেওয়া শুরু করে তখন তাড়াহুড়ার সময়টায় মাঝেমধ্যে খুব বিরক্তিকর মনে হয়। চাইলেই হালনাগাদ ইনস্টল ছাড়াই কম্পিউটার বন্ধ করা যায়।
যেভাবে বুঝবেন
উইন্ডোজ ৭ এবং সর্বশেষ সংস্করণ উইন্ডোজ ১০-এ সমস্যাটি বেশি দেখা যায়। কম্পিউটার বন্ধের সময় স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে যদি Shutdown লেখার সামনে কমলা রঙের শিল্ড ওয়ার্নিং আইকন দেখায় তবে তাতে ক্লিক করলে আপডেট ইনস্টল হয়ে তারপর কম্পিউটার বন্ধ হবে।
যেভাবে বন্ধ করবেন
যখন দেখবেন যে আপডেট করবে এমন দেখাচ্ছে তখন বিকল্পভাবে কম্পিউটার বন্ধ করতে পারেন। এ জন্য বেশ কয়েকটি পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।
 Windows Key + D চেপে ডেস্কটপে আসুন। এবার Alt + F4 বোতাম দুটি একসঙ্গে চাপুন। Shut Down Windows ডায়ালগ বক্স দেখাবে। এবার পুলডাউন মেন্যু থেকে Shut down নির্বাচন করে ওকে চাপুন।
 Windows key + L চেপে লক স্ক্রিনে যান। কম্পিউটারে একজন ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট থাকলে সরাসরি এবং একাধিক ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট থাকলে Swicth User চেপে নিচে ডান কোনায় পাওয়ার আইকনের পাশের অ্যারো চিহ্নে ক্লিক Shut down অপশনে ক্লিক করলে আপডেট ইনস্টল ছাড়াই কম্পিউটার বন্ধ হবে।
 আরও দ্রুত কম্পিউটার বন্ধ করতে চাইলে কমান্ড প্রম্পটে শাটডাউন কমান্ড চালিয়ে বন্ধ করতে পারেন। এ জন্য Windows key + R চেপে Run চালু করুন। এখানে cmd লিখে এন্টার করুন। কমান্ড প্রম্পট চালু হলে shutdown/s/f/t 0 (শেষে শূন্য) লিখে এন্টার করলে কম্পিউটার দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে।
এখানে একটি কথা বলে রাখা ভালো, কম্পিউটার ঠিকঠাক চলার জন্যই উইন্ডোজ আপডেট চালু রাখা জরুরি। পরে সময় সুযোগ বুঝে আপডেট করে নিতে ভুলবেন না।

Pen Drive Shortcut Virus?

অনেক সময় কম্পিউটারে পেনড্রাইভ যুক্ত করার পর ফাইল এবং ফোল্ডারগুলো দেখা যায় না। অথচ ফাইলগুলো যে পেনড্রাইভে আছে তা আপনি জানেন। এটা মূলত ‘শর্টকাট ভাইরাস’ নামে পরিচিত একধরনের ভাইরাসের জন্য হয়ে থাকে। কোনো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার না করেই এই শর্টকাট ভাইরাস দূর করা সম্ভব। হারিয়ে যাওয়া ফাইল এবং ফোল্ডারগুলোও ফিরে পাওয়া যায় সহজেই।
লুকানো ফাইলগুলো দেখতে
প্রথমে স্টার্ট মেনু থেকে কন্ট্রোল প্যানেলে যান। উইন্ডোজ ৮ এবং পরের সংস্করণগুলোতে কন্ট্রোল প্যানেল পেতে ডেস্কটপের নিচের বাম দিকে ডান ক্লিক করে Control Panel নির্বাচন করুন।
Folder Options চালু করে View ট্যাব নির্বাচন করুন।
Hidden files and folders-এর নিচে Show hidden files, folders and drives নির্বাচন করুন। তার ঠিক নিচেই Hide empty drives in the Computer folder এবং Hide protected operating system files চেক বক্স দুটি আনচেক করুন।
সবশেষে Apply করে OK করুন। পেনড্রাইভের যে ফোল্ডারগুলো হারিয়ে গিয়েছিল, সেগুলো দেখতে পাবেন।
ফাইল এবং ফোল্ডার দেখাচ্ছে বটে তবে কথা হলো কীভাবে ভাইরাসমুক্ত করবেন। ভাইরাস সরাতে—
স্টার্ট মেনুতে কিংবা Run থেকে cmd লিখে কমান্ড প্রম্পট চালু করুন।
কমান্ড প্রম্পটে ‘attrib-h-s-r-a/s/d X:*.*’ লিখে এন্টার করুন (X-এর বদলে আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার উল্লেখ করতে হবে)।
আপনার পেনড্রাইভের ফাইল এবং ফোল্ডারগুলোর সঙ্গে শর্টকাট ফোল্ডারেও দেখাবে। এখান থেকে শর্টকাট ফোল্ডার মুছে ফেলুন। ব্যস, হয়ে গেল।

The cool way to cool the laptop!

বেশিক্ষণ ধরে চালানোর ফলে আপনার ল্যাপটপ কি বেশি গরম হয়ে যায়? তামার কয়েন ব্যবহার করে ল্যাপটপের অতিরিক্ত গরম হওয়া ঠেকানো যায়। ল্যাপটপ ঠান্ডা রাখার অভিনব এ পথ বের করে টুইটারে তা পোস্ট করেন জাপানের অ্যাকিনোরি সুজুকি নামে এক ব্যক্তি। টুইটারে তাঁর পোস্ট করা ছবিতে দেখা যায়, ১০ ইয়েনের (জাপানি মুদ্রা) কয়েন (তামার কয়েন) স্তূপ করে তিনি ম্যাকবুক প্রোর স্ক্রিনের সামনে রেখেছেন। তাঁর দাবি, তামা ল্যাপটপ থেকে অতিরিক্ত তাপ শুষে নিতে পারে।
সহজ এ পদ্ধতিতে কম্পিউটার অতিরিক্ত গরম হওয়া ঠেকানো যাবে বলে দাবি করেছেন তিনি।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, কম্পিউটারে ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়ামের চেয়ে তামা অধিক তাপ পরিবাহী। থার্মোডাইনামিকসের সূত্র অনুযায়ী, ল্যাপটপে যে প্লাস্টিক বা অ্যালুমিনিয়াম থাকে, তার চেয়ে অধিক তাপ পরিবাহী ও শোষক হিসেবে কাজ করে তামা।
অবশ্য তাঁরা সতর্ক করে বলেন, পদ্ধতিটি ঠিকমতো পরীক্ষিত নয় বলে সবার ক্ষেত্রে সমান কাজ করবে, তার নিশ্চয়তা নেই। তবে কয়েকজন টুইটার ব্যবহারকারী এ পদ্ধতি ব্যবহার করে সফল হয়েছেন।
ল্যাপটপ ঠান্ডা রাখতে করণীয়
১. ভেতরের ফ্যান ঠিকমতো কাজ করছে কি না, তা পরীক্ষা করুন। অনলাইনে পাওয়া যায়, এমন ফ্যান পরীক্ষার সফটওয়্যার পাবেন।
২. ল্যাপটপের যেখান দিয়ে বাতাস বের হয়, সেখানে কোনো ময়লা জমেছে কি না, তা পরীক্ষা করুন। কাপড় বা ব্রাশ দিয়ে ময়লা পরিষ্কার করে ফেলুন।
৩. ল্যাপটপের জন্য একটি স্ট্যান্ড কিনুন। এতে ল্যাপটপ কম গরম হবে।
৪. ল্যাপটপে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম বেশিক্ষণ চালু রাখবেন না।
৫. বিছানার ওপর দীর্ঘ সময় ল্যাপটপ ব্যবহার করবেন না। শীতল পরিবেশে ব্যবহার করুন।
৬. বায়োস সেটিংস পরীক্ষা করে সেখান থেকে টেম্পারেচার সেটিংস সুবিধামতো পরিবর্তন করুন।

If the screen of Windows 7 is black

উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীদের অনেকের ডেস্কটপের মনিটর বা পর্দা হঠাৎ করে কালো হয়ে যায়। এরপর কম্পিউটার চালুর সময় উইন্ডোজ সক্রিয় করার জন্য একটি বার্তা দেখানো হয়। মাঝেমধ্যে এটি বেশ বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সাধারণত উইন্ডোজের নিবন্ধনের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে কিংবা পাইরেটেড কপি ব্যবহার করলে উইন্ডোজ সক্রিয় করাতে বলা হয়। এসব ক্ষেত্রে ডান পাশের নিচের দিকে Windows 7 licensed is expired, Build 7600 বার্তা দেখায়। চাইলে এটিকে বন্ধই করে দেওয়া যায় কোনো অ্যাকটিভেটর ব্যবহার না করে। মাইক্রোসফটের বিশেষ একটি সুবিধার সুযোগ নিয়ে ৯০ দিনের জন্য উইন্ডোজ ৭ বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যায়।
যা করতে হবে
ডেস্কটপের স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখলে cmd.exe আসবে, ওই আইকনে মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করে Run as administrator নির্বাচন করুন। এবার কমান্ড প্রম্পটে slmgr/dlv লিখে এন্টার করুন। কিছু সময় অপেক্ষা করলে একটি নতুন উইন্ডোর মাধ্যমে নিচ থেকে দ্বিতীয় লাইনে Remaining win…count-এ দেখাবে সর্বোচ্চ কতবার আপনি এ সুবিধাটি ব্যবহার করতে পারবেন। OK করে আবার কমান্ড লাইনে slmgr/rearm লিখে এন্টার করুন। কিছুক্ষণ পর একটি বার্তা জানিয়ে দেবে যে আপনার কাজটি সফল হয়েছে। এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
রিস্টার্ট করে আগের নিয়মে আবার গিয়ে একই কাজ আরও দুবার করে নিন। মনে রাখবেন, প্রতিবার কাজটি করার পর আপনাকে কম্পিউটারটি রিস্টার্ট করতে হবে। তিনবারে কাজটি শেষ হলে আপনার উইন্ডোজ ৯০ দিনের জন্য সক্রিয় হয়ে যাবে এবং মনিটরের পর্দা তখন আর কালো দেখাবে না। এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ৯০ দিনের জন্য উইন্ডোজ সক্রিয় করা গেলেও উইন্ডোজের সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে লাইসেন্সড উইন্ডোজ ব্যবহার করাই শ্রেয়।

Computer security

প্রত্যেক ব্যবহারকারীরই উচিত কম্পিউটারের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবা। ভাইরাস, ওয়ার্ম, হ্যাকিং, তথ্য চুরি রোধ করা সম্ভব কিছু নিয়ম মেনেই। এভাবেই বাড়ানো যায় কম্পিউটারের নিরাপত্তা।
ফায়ারওয়াল: ফায়ারওয়াল এক বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার ব্যবস্থা। এটি ইনকামিং এবং আউটগোয়িং ইন্টারনেট সংযোগ পর্যবেক্ষণ করে। হ্যাকারদের হুটহাট আক্রমণ এবং নিজে থেকেই ছড়িয়ে পড়া ওয়ার্ম প্রতিহত করতে ফায়ারওয়াল কাজ করে। এ ছাড়া কম্পিউটারের অনেক নিরাপত্তাব্যবস্থাও নিয়ন্ত্রণ করে। উইন্ডোজে অপারেটিং সিস্টেমে Run-এ গিয়ে firewall.cpl লিখে এন্টার দিন। ফায়ারওয়াল সেটিংস খুলে যাবে। এরপর প্রয়োজনে সক্রিয় করুন।
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
কম্পিউটারের নিরাপত্তার দায়িত্ব যদি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের ওপরই ছেড়ে দেওয়া হয়, তবে অবশ্যই ভালো মানের একটি অ্যান্টিভাইরাস বেছে নিন। বিনা মূল্যে অনেক অ্যান্টিভাইরাস পাওয়া যায় কিন্তু সেগুলোতে নিরাপত্তার সব সুবিধা থাকে না। যেটাই ব্যবহার করুন না কেন, অ্যান্টি ভাইরাস সব সময় হালনাগাদ করে নিতে হবে।
পাসওয়ার্ড বাছাই
অধিকাংশ ব্যবহারকারী ই-মেইল বা ফেসবুকের পাসওয়ার্ড বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সাবধান নয়। সহজেই মনে রাখা যায়, এমন পাসওয়ার্ড সবাই ব্যবহার করতে চায়। কিন্তু আপনার কাছে যেটি মনে রাখা সহজ, হ্যাকারদের কাছে সেটি অনুমান করা তার চেয়েও সহজ। তাই পাসওয়ার্ড বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কি-বোর্ডের বিশেষ অক্ষর !@#$%^& মিলিয়ে পাসওয়ার্ড (যেমন P@$$W%R#) ব্যবহার করুন। তাহলে হ্যাকার বা অন্য কেউ সহজে অনুমান করতে পারবে না, ফলে অনলাইনেও নিরাপদ থাকা যাবে।
সতর্ক থাকুন ইন্টারনেটে
ইন্টারনেটের যথাযথ ব্যবহার অনেকেই করতে পারে না। না বুঝে এবং আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দেখে হুটহাট তাতে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন। ই-মেইলের স্প্যাম ফোল্ডারে আসা ই-মেইলের লিংকে না বুঝে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন। এবং সতর্ক হোন কোন ধরনের তথ্য আপনি নামাতে (ডাউনলোড) চাচ্ছেন। ভুলবশত কোনো ওয়ার্ম বা ভাইরাস নামাচ্ছেন না তো? হ্যাকার এবং দুষ্কৃতকারীরা সব সময় আপনাকে আকর্ষণীয় ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন এবং ডলারের প্রলোভন দেখিয়ে আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। তাই আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার আগে ভেবে চিন্তে ক্লিক করুন। নয়তো এক ক্লিকেই কম্পিউটারের কখনো বা নিজের বিপদ ডেকে আনবেন।

Finding information in Google is a lot easier

প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে আমরা ওয়েবে তথ্য খুঁজে থাকি। তথ্য খুঁজতে সাধারণত গুগল আমাদের প্রথম পছন্দ। কম সময়ে দ্রুত এবং সহজে কীভাবে তথ্য খুঁজে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে গুগলের আছে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম। সেগুলো মেনে সার্চ করলে সহজে যেকোনো তথ্য খুঁজে নেওয়া যাবে।
সঠিক তথ্য খুঁজে নিতে
একদম সঠিক শব্দ ব্যবহার করে কিছু খুঁজে নিতে চাইলে সেই শব্দের শুরু এবং শেষে ডাবল কোটেশন চিহ্ন (“”) যোগ করে সার্চ করুন। যেমন: “bangladesh is a riverine country” লিখে সার্চ করলে এ-সংক্রান্ত সব তথ্য খুঁজে পাওয়া যাবে।
যেটি দরকার শুধু সেটিই
যখন একই শব্দ দুটি আলাদা নামে ব্যবহৃত হয়, তখন যেটি দরকার শুধু সেটিই খুঁজে নিতে যে শব্দের দরকার নেই তার আগে (-) ড্যাশ যোগ করে নিলে যেটি দরকার, সেটিই পাওয়া যাবে। যেমন: jaguar speed-car লিখে সার্চ করলে, ড্যাশ যোগ করা-car শব্দটি গুগল গ্রহণ না করে জাগুয়ার প্রাণীর তথ্য দেখাবে।
নির্দিষ্ট সাইটের তথ্য
নির্দিষ্ট কোনো সাইট থেকে তথ্য খুঁজে নিতে site: লিখতে হবে। যেমন: ‘হেল্পলাইন site:prothom-alo.com’ লিখে সার্চ করলে প্রথম আলোর ওয়েবসাইট থেকে হেল্পলাইন-সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে।
সংশ্লিষ্ট যেকোনো তথ্য
কাঙ্ক্ষিত শব্দ ওয়েবের কোন কোন ওয়েবসাইটে আছে, সেটি খুঁজে নিতে related: সংকেত ব্যবহার করুন। যেমন related: prothom-alo লিখে সার্চ করলে ওয়েবে প্রথম আলো কোন কোন সাইটে আছে, তা জানা যাবে।

What is the function of any key

F1 : উইন্ডোজকে সেফ মোডে খুলতে ব্যবহার করা হয়। উইন্ডোজসহ বেশির ভাগ সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে এটি হেল্প বাটন হিসেবেও কাজ করে।
F2 : উইন্ডোজ চালুর সময় বায়োসে প্রবেশ করতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই কি ব্যবহার হয়। কম্পিউটারে সিলেক্ট করা কোনো ফাইল বা ফোল্ডার রিনেম বা নাম পরিবর্তনও এটি চেপে করা যায়।
মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে কোনো ডকুমেন্ট খুলতে alt+ctrl+F2 ব্যবহার করা হয়।
F3 : উইন্ডোজ ডেস্কটপের ক্ষেত্রে এই বাটন সার্চের কাজ করে। এই কি (key) চেপে ডস মোডে লেখা সর্বশেষ লাইনটিও ফিরিয়ে আনা যাবে।
F4 : উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার বা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের ক্ষেত্রে এই বাটন অ্যাড্রেস বার খোলার কাজ করে। অ্যাক্টিভ উইন্ডো একবারে বন্ধ করতে alt+f4 ব্যবহার করা হয়।
F5 : যেকোনো ব্রাউজারের ক্ষেত্রে এই বাটন রিফ্রেশের কাজ করে।
মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে এই বাটন দিয়ে একবারে Find, Replace, Go to ডায়ালগ উইন্ডো খোলা যায়।
F6 : ব্রাউজারের ওয়েব অ্যাড্রেসে যেতে বা সিলেক্ট করতে এটি ব্যবহার হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই বাটন দিয়ে ভলিউমও কমানো যায়।
F7 : মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও আউটলুকের ক্ষেত্রে বানান ও ব্যাকরণ চেক করার জন্য ব্যবহার হয়। কিছু ল্যাপটপের ক্ষেত্রে এই বাটন দিয়ে ভলিউম বাড়ানো যায়।
F8 : উইন্ডোজকে সেফ মোডে খুলতে এই বাটন ব্যবহার করা হয়। কিছু কম্পিউটারে এটি দিয়ে উইন্ডোজ রিকভারি সিস্টেম শুরু করা যায়।
F9 : মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে এই বাটন রিফ্রেশের কাজ করে। কিছু ল্যাপটপের ক্ষেত্রে  এটি দিয়ে ব্রাইটনেস কমানো যায়।
F10 : যেকোনো অ্যাক্টিভ উইন্ডোজের ক্ষেত্রে এটি দিয়ে মেন্যু বার খোলা হয়। কিছু ল্যাপটপের ক্ষেত্রে এই বাটন দিয়ে ব্রাইটনেস বাড়ানো যায়।

Google Drive: Easily save and manage files


জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলের একটি সেবা হলো গুগল ড্রাইভ। এটি ব্যবহার করে সহজে ও নিরাপদে ফাইল রাখা যায়। ক্লাউডে ফাইল সংরক্ষণ করে বলে গুগল ড্রাইভের বেশ কিছু সুবিধা আছে। এগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যগুলো হলো—
 কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন নষ্ট হলে বা হারিয়ে গেলেও ফাইল নষ্ট কিংবা হারাবে না।
 ছবি, ওয়ার্ড ডকুমেন্ট, পিডিএফ, অডিও, ভিডিওসহ ছোট-বড় সব ধরনের ফাইল সংরক্ষণ করা যায়।
 মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ট্যাবলেটসহ যেকোনো যন্ত্র থেকে ব্যবহার করা যায়।
অনলাইন ও অফলাইন দুভাবেই
কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনে গুগল ড্রাইভের অ্যাপ ইনস্টল করলে সংরক্ষিত ফাইলগুলো কম্পিউটার বা মোবাইলের নির্ধারিত ফোল্ডারে জমা হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী অনলাইন বা অফলাইনে থাকা অবস্থায় ফাইল খোলা ও হালনাগাদ করা যায়। অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস-চালিত যেকোনো যন্ত্র ও উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের যেকোনো কম্পিউটারের জন্য অ্যাপ পাওয়া যায়।
যেকোনো স্থান থেকে ব্যবহার করা যায়
আপনি যেখানেই থাকুন না কেন, ব্যবহৃত যন্ত্র থেকে জিমেইলে ঢুকলেই গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করা যাবে। সেখানে আপনার সংরক্ষিত সবকিছুই পাওয়া যাবে। এতে প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো সব সময় বহন করতে হবে না এবং হারিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে না।
নতুন ফাইল ও ফোল্ডার
কম্পিউটারের মতোই গুগল ড্রাইভে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ফাইল ও ফোল্ডার তৈরি করা যায়। তৈরি করা ফাইল সবার সঙ্গে শেয়ার করা যায় সহজেই। ফাইল সংরক্ষণ করা ছাড়া ও গুগল ড্রাইভের রয়েছে গুগল ডকস সুবিধা নিয়ে ফাইল তৈরি করা যায়। যেখানে দৈনন্দিন কাজের জন্য ফাইল তৈরি ও হালনাগাদ করা যায়। বহুল ব্যবহৃত ওয়ার্ড, এক্সেলসহ বেশির ভাগ অফিস অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা যায়। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে রিয়েল টাইম আপডেট অর্থাৎ একসঙ্গে সব জায়গায় এবং সব যন্ত্রে ফাইল হালনাগাদ হয়। অর্থাৎ একটি ফাইল একই সময়ে একাধিক স্থান থেকে ব্যবহার করা যায়।
গুগল ফরমে সহজেই তথ্য সংগ্রহ করা যায়
কাজের প্রয়োজনে তথ্য সংগ্রহ ও তা বিশ্লেষণের জন্য রয়েছে গুগল ফরম। ফরমে পূরণকৃত তথ্য স্প্রেডশিটে সহজেই সংগ্রহ করা যায় ও তা প্রয়োজন অনুযায়ী বিশ্লেষণ করে ফলাফল তৈরি করা যায়।
সংযুক্ত ফাইল সহজেই পাঠানো যায়
জিমেইলে ২৫ মেগাবাইটের বেশি কোনো ফাইল যুক্ত করতে হলে গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করতে হয়। আবার ড্রাইভে থাকা যেকোনো ফাইলসহ জিমেইলে সরাসরি যুক্তও করা যায়। ই-মেইলে আসা যেকোনো ফাইল ড্রাইভে সংরক্ষণ করা যায়। এ জন্য ইমেইলে যুক্ত ফাইলের ওপর মাউস নিলে ড্রাইভে সংরক্ষণ করার একটি অপশন দেখাবে।
গুগলের প্রত্যেক ব্যবহারকারী জিমেইল, গুগল ড্রাইভ ও গুগল ফটোজ ব্যবহারের জন্য ১৫ গিগাবাইট জায়গা পেয়ে থাকে। এর বেশি প্রয়োজন হলে প্রিমিয়াম সেবা গ্রহণ করতে হবে।

File can be deleted at the time of the binding

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে কোনো ফাইল নির্বাচন করে ডিলিট চাপলে বা সেই ফাইলে মাউসের ডান ক্লিক করে ডিলিট বোতাম চাপলে ফাইলটি পুরোপুরি মুছে যায় না। ফাইলটিকে যদি শিফট + ডিলিট বোতাম চেপে না ডিলিট করা হয়, তাহলে সেই ফাইলটি রিসাইকেল বিন ফোল্ডারে গিয়ে জমা হয়। এই ফোল্ডারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে, আবার পুনরুদ্ধার করতে পারবেন। উইন্ডোজের প্রায় সব সংস্করণ থেকেই এটি করতে পারবেন। কিন্তু কখনো কখনো এমনও হয় যে কাজের সুবিধার্থে পর্যায়ক্রমে একাধিক ফাইল ডিলিট করতে হয়। একাধিক ফাইল রাখাটা নির্ভর করে বিন ফোল্ডারের আকারের ওপর। বিন ফোল্ডারের আকার সেটির ধারণক্ষমতা অতিক্রম করলে ফাইল ডিলিট করাটাই ভালো। আবার যখন বিন ফোল্ডারে একসঙ্গে অনেক ফাইল জমে যায় তখন সেগুলো এক এক করে ডিলিট করাও বেশ সময়সাপেক্ষ। উইন্ডোজ দশে রিসাইকেল বিনের ফাইল ৩০ দিনের বেশি হয়ে গেলে সেটিকে স্বয়ংক্রিয় ডিলিট করার সুবিধা যোগ করা হয়েছে। চাইলেই এটি ব্যবহার করে সময় বাঁচানো যাবে।
যা করবেন: উইন্ডোজ দশের স্টোরেজ সেন্স সুবিধা সক্রিয় করলে বিন ফোল্ডারের ডেটা স্বয়ংক্রিয় ডিলিট করার সুবিধাটি পাওয়া যাবে। এ জন্য স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে Settings লিখুন। খুঁজে পাওয়া সেটিংসে ক্লিক করে সেটিংসের পাতায় আসুন। এবার এই পাতার System-এ ক্লিক করুন। সিস্টেম সেটিংসের বাঁয়ের মেন্যু থেকে Storage-এ ক্লিক করুন। এখানে স্টোরেজ সেন্স বিভাগের নিচের Off-এ ক্লিক করে সেটি আবার On করে দিন। এবার এর নিচের Change how we free up space লিংকে ক্লিক করুন। পরের উইন্ডোতে গেলে Delete files that have been in the recycle bin for over 30 days এর নিচের Off বোতামে ক্লিক করে সেটিকে On করে দিন। তাহলে রিসাইকেল বিনে জমা থাকা ফাইল যদি ৩০ দিনের বেশি হয়ে যায়, তাহলে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিলিট হয়ে যাবে। এ ছাড়া এখানে থাকা Delete temporary files that my apps aren’t using অপশনকে চালু করলে অ্যাপে ব্যবহার হয় না, এমন অস্থায়ী ফাইল মুছবে। আবার Delete files in my Downloads folder that haven’t changed for over 30 days অপশন চালু করলে ডাউনলোড ফোল্ডারে থাকা যে ফাইলগুলো ৩০ দিনেও ব্যবহার হয়নি সেগুলো মুছবে। আপনার যেটি দরকার, সেটি বেছে নিলে ঝামেলা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফাইল ডিলিট করতে পারবেন।

Smartphone charging rules


প্রতিটি ব্যাটারির একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে। স্মার্টফোনের ব্যাটারির ক্ষেত্রেও তা-ই। স্মার্টফোন ব্যবহারের ধরনের ওপর এর ব্যাটারির আয়ু নির্ভর করে। এ ক্ষেত্রে মুঠোফোনে চার্জ দেওয়ার পদ্ধতি ও চার্জারের ধরন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেমন সারা রাত মুঠোফোন চার্জ দিয়ে রাখলে দীর্ঘ মেয়াদে ব্যাটারির আয়ু কমে। অন্যদিকে সস্তা চার্জার ব্যবহারে স্মার্টফোন ও ব্যাটারির বিপদ ডেকে আনতে পারে। অনেক সময় বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। স্মার্টফোনে চার্জ দেওয়ার কয়েকটি পরামর্শ জেনে নিন:
সব সময় নিজস্ব চার্জার
স্মার্টফোনে চার্জ দেওয়ার সময় নিজস্ব চার্জার বিশেষ করে ফোনের সঙ্গে থাকা আসল চার্জারটি ব্যবহার করুন। স্মার্টফোনে মাইক্রো ইউএসবি পোর্টে অনেক চার্জার সমর্থন করতে পারে। তবে আসল চার্জার ব্যবহার না করলে ধীরে ধীরে ব্যাটারির চার্জ ধরে রাখার ক্ষমতা কমতে থাকে।
সস্তা চার্জারকে না বলুন
অপরিচিত নির্মাতার তৈরি চার্জার ব্যবহারে সতর্ক থাকুন। কারণ এ ধরনের চার্জারে কোনো নিরাপত্তাপদ্ধতি ব্যবহার করা হয় না। এতে ফোনে অতিরিক্ত চার্জ বা ফোন গরম হয়ে যেতে পারে। অ্যাডাপ্টারে সমস্যা দেখা দিলে ফোন ও ব্যাটারি দুটোই নষ্ট হতে পারে।
চার্জের সময় সুরক্ষা কেস খুলে রাখুন
অনেকেই ফোনের বাড়তি সুরক্ষার জন্য কেসিং ব্যবহার করেন। কিন্তু চার্জ দেওয়ার সময় কেসিং খুলে রাখা ভালো। সাধারণত ফোন চার্জ দিলে ব্যাটারি কিছুটা গরম হয়। কিন্তু ফোনের কেসিং থাকলে তাপ আটকে ফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়।
দ্রুতগতিতে চার্জ সুবিধাজনক নয়
সব সময় দ্রুতগতিতে চার্জ হয় এমন চার্জার সুবিধাজনক নয়। ব্যাটারি ভালো রাখতে দ্রুতগতির চার্জার ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে। দ্রুতগতির চার্জার ফোনের ব্যাটারিতে উচ্চ ভোল্টেজ পাঠায়, যা দ্রুত তাপমাত্রা বাড়ায়। স্বাভাবিক চার্জিং পদ্ধতিতে চার্জ দিতে পারেন।
সারা রাত চার্জ নয়
সারা রাত ফোন চার্জে রাখা ঠিক নয়। অতিরিক্ত চার্জ ব্যাটারির ক্ষতি করে।
থার্ড পার্টি ব্যাটারি অ্যাপস
অনেকে মুঠোফোনের ব্যাটারি দীর্ঘক্ষণ চালানোর জন্য থার্ড পার্টির অ্যাপস ব্যবহার করেন। ব্যাটারি দীর্ঘদিন টেকাতে এসব অ্যাপ ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। অনেক অ্যাপ্লিকেশন ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু থাকে বলে ব্যাটারির ওপর প্রভাব ফেলে।
ফোন ৮০ শতাংশ চার্জ দিয়ে রাখুন
যখনই চার্জ দেবেন, তখন কমপক্ষে ব্যাটারির চার্জ ৮০ শতাংশ পূর্ণ করবেন। সব সময় শতভাগ চার্জ পূর্ণ করতে হবে এমন কোনো কথা নেই।
সব চার্জ শেষ করে ফেলবেন না
স্মার্টফোনে ২০ শতাংশের ওপরে চার্জ থাকা অবস্থায় আবার চার্জে দেবেন না। বারবার ও অপ্রয়োজনীয় রিচার্জে ব্যাটারির আয়ু কমে যায়। ব্যাটারির চার্জ একেবারে শূন্য করে ফেলবেন না। এতেও ব্যাটারির আয়ু কমতে থাকে।
শট-সার্কিট ঠেকাতে পাওয়ার ব্যাংক
ভোল্টেজ ওঠা-নামা, শট-সার্কিট, অতিরিক্ত চার্জ ঠেকাতে সক্ষম এমন পাওয়ার ব্যাংক কাজে লাগাতে পারেন। পাওয়ার ব্যাংকের সঙ্গে লাগানো অবস্থায় স্মার্টফোন ব্যবহার করবেন না। এতে স্মার্টফোন বেশি গরম হয় এবং ব্যাটারির ক্ষতি হয়।

Pen drive date partition place



বহনযোগ্য বা কম্পিউটারের সিপিইউতে থাকা হার্ডড্রাইভে আলাদা পার্টিশন করে বিভিন্ন ধরনের ডেটাকে সুবিধা অনুযায়ী গুছিয়ে রাখা যায়। আলাদা এই পার্টিশনগুলো প্রতিটি ড্রাইভ নামেও পরিচিত। ব্যবহারকারী সুবিধামতো গুরুত্বপূর্ণ ডেটা বা সফটওয়্যারকে এক ড্রাইভে আবার সিনেমা কিংবা ভিডিও ফাইলকে আরেক ড্রাইভে রাখতে পারেন। মূলত সাজানো-গোছানো থাকলে ডেটা সহজে খুঁজে পাওয়া যায়। ডেটা আদান-প্রদানের জনপ্রিয় মাধ্যম ইউএসবি পেনড্রাইভেও যদি পার্টিশন করা যায় কেমন হয় তাহলে? কাজের সুবিধার জন্য অনেকেই ১৬ বা ৩২ জিবি কিংবা তারও বেশি ধারণক্ষমতার পেনড্রাইভ ব্যবহার করেন। তাদের কাজকে আরও সুবিধাজনক করতে আলাদা পার্টিশন করে তাতে ডেটা রেখে ব্যবহার করলে কাজ আরও সাজানো-গোছানো হবে।
যা করবেন
ইউএসবি পেনড্রাইভকে পার্টিশন করতে চাইলে উইন্ডোজ দশের ডিস্ক ম্যানেজমেন্ট সুবিধাটি ব্যবহার করতে হবে। উইন্ডোজ দশের বার্ষিকী (অ্যানিভার্সারি) হালনাগাদ এবং তার আগের সংস্করণে ডিস্ক ম্যানেজমেন্ট থেকে ইউএসবি ড্রাইভকে পার্টিশন করার সুবিধাটি নেই। তবে আপনি চাইলে এখন উইন্ডোজ দশের ক্রিয়েটর আপডেট এবং এর পরের সব সংস্করণ থেকে USB পেনড্রাইভ পার্টিশন করতে পারবেন। এ ছাড়া অন্যান্য সংস্করণ থেকে পেনড্রাইভ পার্টিশন করতে চাইলে কমান্ড প্রম্পট বা তৃতীয় পক্ষের সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে।
ডিস্ক ম্যানেজমেন্ট থেকে
পেনড্রাইভে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ডেটাকে অন্য জায়গায় ব্যাকআপ রাখুন। এরপর আপনার ইউএসবি পেনড্রাইভকে উইন্ডোজ ১০ ক্রিয়েটরস আপডেট (v1703) বা এর পরের সংস্করণ ব্যবহৃত কম্পিউটারে সংযোগ করুন। এবার ডেস্কটপের This PC-তে ক্লিক করে পেনড্রাইভের ওপর মাউস নিয়ে গিয়ে ডান ক্লিক করে Properties-এ ক্লিক করুন। এখানে ফাইল সিস্টেম যদি NTFS না দেখিয়ে FAT32 দেখায় তাহলে সেটিকে ফরম্যাট করে NTFS করে দিতে হবে। ফাইল সিস্টেম NTFS না হলে প্রপার্টিজের উইন্ডো কেটে দিয়ে পেনড্রাইভের আইকনে আবার ডান ক্লিক করে Format নির্বাচন করে File System হিসেবে NTFS নির্বাচন করে সেটি আবার ফরম্যাট করবেন। ফরম্যাট শেষ হলে স্টার্ট মেনুতে ডান ক্লিক করুন। Disk Management খুঁজে নিয়ে সেটি ক্লিক করে খুলুন। ডিস্ক ম্যানেজমেন্ট উইন্ডোতে ইউএসবি ড্রাইভের ওপর ডান ক্লিক করুন এবং তারপর Shrink Volume অপশনে ক্লিক করুন। যদি ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভটি FAT ফরম্যাটের হয় তবে শ্রিঙ্ক ভলিউম অপশনটি দেখাবে না। শ্রিঙ্ক ডায়ালগ খুললে Enter the amount of space to shrink in MB ঘরে নতুন পার্টিশনের জন্য যতখানি জায়গা চান সেটি মেগাবাইট আকারে লিখুন। আপনার পেনড্রাইভ যদি ১৬ জিবির হয় তাহলে দুটি পার্টিশনের জন্য এখানে 7168 বা ওপরের ঘরে দেখানো মেগাবাইটের ওপর ভিত্তি করে লিখুন। এবার নিচের Shrink বোতাম চাপুন। এই অপশন আপনার ইউএসবি ড্রাইভে unallocated স্থান তৈরি করবে। এখন ইউএসবিতে নতুন নির্মিত unallocated অংশে ডান ক্লিক করে আবার New Simple Volume অপশনে ক্লিক করুন। খেয়াল করুন, আপনি কেবল ইউএসবি ড্রাইভের unallocated স্থানটিতেই ডান ক্লিক করছেন কি না। একবার New Simple Volume উইজার্ডটি পর্দায় দেখালে Next বোতামে ক্লিক করুন। এখানে আবার Next বোতাম চাপুন। এবার আপনার ইউএসবি ড্রাইভের নতুন পার্টিশনের জন্য ড্রাইভ লেটার নির্বাচন করুন। এরপর Next বোতামে ক্লিক করুন। আবার শেষ পর্দার Next বোতাম চাপলে নতুন পার্টিশন তৈরি হয়ে যাবে। এভাবে যতগুলো পার্টিশন তৈরি করবেন ততগুলোর জন্য আবার ওপরের ধাপ অনুসরণ করতে হবে। পার্টিশন ডিলিট করতে চাইলেই ডিস্ক ম্যানেজমেন্টে গিয়ে Disk 2 Removable-এ থাকা ড্রাইভগুলো থেকে যেটি ডিলিট করতে চান সেটিতে রাইট ক্লিক করে Delete Volume চাপলে সেটি ডিলিট হয়ে যাবে।

Saturday, June 3, 2017

7 security tips for password security through which information is safe.

সদ্য প্রকাশিত ২০১৭ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেবল পাসওয়ার্ডের নিরাপত্তার অভাবেই ৬৩ শতাংশ অ্যাকাউন্ট ‘হ্যাকড’ হয়। যেকোনো আইডি ও অনলাইন তথ্য নিরাপদ রাখার প্রথম শর্ত, শক্তিশালী ও নিরাপদ পাসওয়ার্ড ব্যবহার।

পাসওয়ার্ড নিরাপত্তায় এখানে বেশ কিছু পরামর্শ আলোচনা করা হলো :

১. পাসওয়ার্ড হোক নিজের মতো
ওয়ান টু থ্রি ফোর ফাইভ সিক্স অথবা নিজের নাম ও জন্মতারিখ—এ ধরনের সহজ ও বহুল ব্যবহৃত পাসওয়ার্ড দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। নিজের মতো করে এমন পাসওয়ার্ড সেট করুন, যেন কেউ অনুমানও না করতে পারে।
২. পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করুন
পাসওয়ার্ডের নিরাপত্তায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার। কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন—সব ধরনের ডিভাইসে ব্যবহার উপযোগী এই অ্যাপ ব্যবহারে বারবার পাসওয়ার্ড টাইপ করতে হয় না। এ ছাড়া এটি
সাহায্য করে সহজ কিন্তু অন্যদের জন্য অনুমান করা অসম্ভব, এমন পাসওয়ার্ড সেট করতে। শুধু তাই নয়, নির্ধারিত সময় শেষে এটি আপনাকে পাসওয়ার্ড বদলাতেও মনে করিয়ে দেবে।
৩. ভুলেও পাসওয়ার্ড কাউকে বলবেন/ দেখাবেন না
যতই কাছের মানুষ হোক না কেন, ভুল করেও কোনো পাসওয়ার্ড কখনোই কাউকে বলা বা দেখানো উচিত নয়। আজ সম্পর্ক ভালো হলেও কাল কোনো কারণে তা খারাপ হলে কিংবা ওই ব্যক্তির অসেচতনতায় এটি যেকোনো সময় আপনার জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
৪. নির্ধারিত সময় পরপর পাসওয়ার্ড বদলান
অনলাইনে নিরাপদ থাকার সবচেয়ে ভালো উপায় নির্ধারিত সময় পরপর পাসওয়ার্ড বদলে ফেলা। মনে রাখতে হবে, নতুন পাসওয়ার্ডটি যেন কোনোভাবেই আগেরটির সঙ্গে মিলে না যায় বা ক্রমিকও না হয় (যেমন : আগের পাসওয়ার্ড jackpot ছিল তো এবার দিলেন jackpot2—এমনটা কখনোই করবেন না)।
৫. পাসওয়ার্ড হোক অন্তত আট অক্ষরের
পাসওয়ার্ডের নিরাপত্তায় এর আকার একটি অন্যতম রিস্ক ফ্যাক্টর। যতটুকু সম্ভব বড় (অন্তত আট অক্ষরের) পাসওয়ার্ড সেট করুন।
৬. পাসওয়ার্ড হবে বর্ণ, সংখ্যা ও চিহ্ন মিলিয়ে
একটি আদর্শ পাসওয়ার্ডে বর্ণ, সংখ্যা ও চিহ্ন—সবকিছুরই সমন্বয় থাকতে হবে। ডিকশনারিতে নেই এমন শব্দ নিয়ে বড় ও ছোট হাতের অক্ষরে ভেঙে তার সঙ্গে সংখ্যা ও চিহ্ন মিলিয়ে এমনভাবে সাজান যেন কেউ কোনোভাবেই অনুমান না করতে পারে। পাসওয়ার্ড কোথাও আলাদা করে লিখে বা সেভ করে রাখবেন না।
৭. টুএফএ ব্যবহার
পাসওয়ার্ডের নিরাপত্তায় সর্বাধুনিক প্রযুক্তি টুএফএ। এখন কমবেশি সব সাইটই টুএফএ তথা টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সাপোর্ট করে—এটি ব্যবহারে কোনো আইডির জন্য পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর স্বনির্ধারিত মোবাইল বা অ্যাপে একটি তাৎক্ষণিক কোড আসবে। এই কোড পুনরায় পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করেই কেবল লগইন করা যাবে। এতে কেউ আপনার পাসওয়ার্ড কোনোভাবে জেনে গেলেও তা হ্যাক করতে পারবে না।

How to take care of computer

কম্পিউটার আজ আমাদের নিত্য ব্যবহার্য যন্ত্রে পরিনত হয়েছে। বর্তমান সময়ে কম্পিউটার ছাড়া কোন কিছু কল্পনা করা সম্ভব না। যে কোন পেশার মানুষ হোক না কেন, কম্পিউটার ছাড়া যেন পরিপূর্নতা হয় না। অফিসিয়াল কাজ কর্মে, নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ করতে, মুভি, গান, গ্রাফিক্স ইত্যাদি বহুবিদ কাজে কম্পিউটার ছাড়া আমাদের একবারেই চলে না। কিন্তু দীর্ঘদিন কম্পিউটার চালানোর ফলে একসময় আমাদের সেই যন্ত্রটির গতি আর আগের মতো থাকে না। অনেক স্লো হয়ে যায়। তখন আমরা সাধারনত দুইটি কাজ করে থাকি। হয় কম্পিউটারটির কোন সমস্যা হয়েছে মনে করে টেকনেশিয়ানের কাছে নিয়ে যাই অথবা নতুন করে অপারেটিং ইনস্টল করি। কিন্তু একটু ভালো ধারণা থাকলেই কম্পিউটারটিকে সবসময় গতিময় রাখতে পারেন। তাহলে চলুন যেনে নেই কিভাবে আপনার কম্পিউটারটিকে সুপার ফাস্ট করে তুলবেন।
১. অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম দূর করুনঃ
কোন প্রোগ্রাম ইনস্টল করার সময় অনেক অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম এর সাথে সাথে ইনস্টল হয়ে যায়। যা আপনার পিসির পার্ফর্মেন্স কমিয়ে দিতে পারে। তাই আগে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম দূর করুন। এজন্য আপনার পিসির Start মেনু হতে control প্যানেলে যান। সেখান থেকে Programs and Features এ গিয়ে অনাকাংখিত প্রোগ্রামগুলো রিমুভ করেন।
২. অপ্রয়োজনীয় জাঙ্ক ফাইল দূর করেনঃ
কম্পিউটার চালানোর সময় নানা রকম অনেক অপ্রইয়োজনীয় ফাইল নিজে নিজেই সৃষ্টি হয়, যা আমাদের পিসির গতি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। এই অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো ডিলিট করতে Run এ গিয়ে prefetch লিখে এন্টার চাপুন এবং সবগুলো ফাইল রিমুভ করুন। এর পর %temp% লিখে এন্টার চাপুন এবং সকল ফাইল ডিলিট করুন। এই কাজগুলো অটোমেটিক ক্লিকে করতে নিচের কোডটুকু একটা text ফাইলে লিখে সেভ করুন। এরপর ফাইলের নাম পরিবর্তন করে junk_remover.bat নামে সেভ করুন। এবার ডাবল ক্লিক করলেই অপ্রয়োজনীয় জাঙ্ক ফাইল সমূহ রিমুভ হয়ে যাবে।
কোডঃ del C:\Windows\Prefetch\*.* /Q
Rundll32.exe advapi32.dll,ProcessIdleTasks
৩. নিয়মিত Disk Defragmenter করুনঃ
কিছুদিন পর পর হার্ডডিস্ক ডিফ্রেগমেন্ট করুন। এতে করে আপনার হার্ডডিস্কের গতি বাড়বে। হার্ডডিস্ক ডিফ্রেগমেন্ট করতে My computer হতে properties এ যান। সেখান হতে Performance Information and Tools এ যান এবং সর্বশেসষ Advanced Tools হতে Open Disk Derangement এ যান। আর সরাসরি যেতে চাইলে Search বার এDisk Defragmenter লিখে এন্টার চাপুন।
৪. Disk Cleanup করে হার্ডডিস্কের অপ্রয়োজনীয় ফাইল দূর করুনঃ
স্টার্ট মেনুতে গিয়ে Disk Cleanup লিখে এন্টার চাপুন। এরপর যে ড্রাইভ পরিস্কার করতে চান সেটা সিলেক্ট করুন। কিন্তু সাবধান ডিলিট করবেন না কিন্তু।
৫. পিসিকে ভাইরাস মুক্ত রাখুনঃ
ভাইরাস আপনার পুরো পিসি ধ্বংস করে দিতে পারে। সেই সাথে আপনার প্রয়োজনীয় সব ফাইলও শেষ করে দিতে পারে। এর জন্য ভালমানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করতে পারেন। এর জন্য আমি রিকমেন্ড করব Microsoft Security Essential. তথাকথিত এন্টিভাইরাসের চেয়ে এটা অনেক বেশি পরিমাণ ভাইরাস ডিটেক্ট করতে পারে। উইন্ডোজ ৮ এবং উইন্ডোজ ৮.১ এর সাথে এটা আগে থেকেই দেয়া থাকে। আর মালওয়্যার, স্পাইওয়ার এবং সর্টকাট ভাইরাস হতে পিসিকে মুক্ত রাখে ব্যবহার করতে পারেন USB Disk Security. কারন বেশির ভাগ ভাইরাস ছড়ায় USB Pen Drive এর মাধ্যমে। নিচে সফটওয়্যারের লিঙ্ক দিয়ে দিলাম।
Microsoft Security Essential
৬. মালওয়্যার, স্পাইওয়্যার দূর করুনঃ
মালওয়্যার, স্পাইওয়ার এবং সর্টকাট ভাইরাস ইত্যাদি বেশিরভাগ ছড়ায় পেনড্রাইভ হতে। পেনড্রাইভের ভাইরাস হতে পিসিকে মুক্ত রাখে ব্যবহার করতে পারেন USB Disk Security.
নিচে সফটওয়্যারের লিঙ্ক দিয়ে দিলাম।
USB Disk Security
৭. Browsing History এবং Cooky দূর করেনঃ
ব্রাউজিং হিস্টোরি এবং কুকিসমূহ র‍্যামে জমা হয়ে র‍্যামে গতি কমিয়ে দিতে পারে। তাই প্রতিদিন ব্রাউজিং হিস্টোরি এবং কুকিসমূহ ডিলিট করুন। এজন্য যেকোন ব্রাউজার খুলে Shift+Ctrl+Delete চাপে সবকিছু ডিলিট করে দিন
৮. অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম স্টার্টআপ দূর করুনঃ
পিসি চালু হলে অনেক অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম চালু হয়। সেই প্রোগ্রামগুলোর কারণে পিসির স্টার্ট হতে অনেক সময় নেয় এবং র‍্যমের জায়গা দখল করে। অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম অটোস্টার্ট বন্ধ করতে Run এ গিয়ে লিখুন msconfig লিখে এন্টার চাপুন এবং যে সকল প্রোগ্রাম আপনার দরকার নেই সেগুলো Disable করে দিন।
৯. পার্ফর্মেন্স বাড়াতেঃ
পিসির পার্ফর্মেন্স বাড়াতে আরেকটি ভালো উপায় রয়েছে। তা হচ্ছে Performance Option. স্টার্ট মেনুতে গিয়ে লিখে এন্টার দিলে নিচের মতো উইন্ডো ওপেন হবে। সেখান থেকে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী পার্ফর্মেন্স নির্বাচিত করে দিন। চাইলে নিজের মত কাস্টমাইজ করতে পারেন।
১০. নিয়মিত ড্রাইভ রিফ্রেশ করুনঃ
পিসিকে সচল রাখতে নিয়মিত ড্রাইভ রিফ্রেশ করুন। এর জন্য নিচের কোডটুকু text ফাইলে লিখে Refresg.bat নামে সেভ করুন। প্রতিদিন এটাতে ক্লিক করে ড্রাইভকে সচল রাখুন।
Echo Off
cd/
tree
C:
tree
D:
tree
E:
১১. থার্ড পার্টি সফটওয়্যার ব্যবহার করুনঃ
পিসির গতি বৃদ্ধি করতে ব্যবহার করার জন্য থার্ড পার্টি সফটওয়্যার হিসেবে CCleaner একটি চমৎকার সফটওয়্যার। নিচের লিঙ্ক থেকে ডাউনলোক করে নিতে পারেন।
CCleaner
এই কাজগুলো নিয়মিত করলে আপনার পিসির স্পীড কোনদিন কমবে না। নতুন অপারেটিং ইনস্টল করার দিন যেমন গতি সেই গতি সবসময় পাবেন।
আজ এ পর্যন্তই।

Computer Shortcut Keys

শরটকাট কি গুলো  আমাদের অনেক ভাবে সাহায়্য করে থাকে। অনেক সহজে এবং কম সময়ে আমরা অনেক কাজ সেরে নিতে পারি এর সাহাজ্যে। আসুন দেখে নি এইরকম কিছু শরটকাট কি।

Shortcut Keys Description
 Alt + F – File menu options in current program.
 Alt + E – Edit options in current program
 Alt + Tab – Switch between open programs
 F1 – Universal Help in almost every Windows program.
 F2 – Rename a selected file
 F5 – Refresh the current program window
 Ctrl + N – Create a new, blank document in some software programs
 Ctrl + O – Open a file in current software program
 Ctrl + A – Select all text.
 Ctrl + B – Change selected text to be Bold
 Ctrl + I – Change selected text to be in Italics
 Ctrl + U – Change selected text to be Underlined
 Ctrl + F – Open find window for current document or window.
 Ctrl + S – Save current document file.
 Ctrl + X – Cut selected item.
 Shift + Del – Cut selected item.
 Ctrl + C – Copy selected item.
 Ctrl + Ins – Copy selected item
 Ctrl + V – Paste
 Shift + Ins – Paste
 Ctrl + K – Insert hyperlink for selected text
 Ctrl + P – Print the current page or document.
 Home – Goes to beginning of current line.
 Ctrl + Home – Goes to beginning of document.
 End – Goes to end of current line.
 Ctrl + End – Goes to end of document.
 Shift + Home – Highlights from current position to beginning of line.
 Shift + End – Highlights from current position to end of line.
 Ctrl + Left arrow – Moves one word to the left at a time.
 Ctrl + Right arrow – Moves one word to the right at a time.
 Ctrl + Esc – Opens the START menu
 Ctrl + Shift + Esc – Opens Windows Task Manager
 Alt + F4 – Close the currently active program
 Alt + Enter – Open the Properties for the selected item (file, folder, shortcut, etc.)

এ ছাড়াও রয়েছে
Shortcut Keys Special Character

Alt + 0224 – à
Alt + 0232 – è
Alt + 0236 – ì
Alt + 0242 – ò
Alt + 0241 – ñ
Alt + 0228 – ä
Alt + 0246 – ö
Alt + 0252 – ü
Alt + 0248 – ø
Alt + 0223 – ß
Alt + 0198 – Æ
Alt + 0231 – ç
Alt + 0191 – ¿
Alt + 0176 – ° (degree symbol)
Alt + 0177 – ± (plus/minus symbol)
Alt + 0153 – ™
Alt + 0169 – ©
Alt + 0174 – ®
Alt + 0128 – € (Euro currency)
Alt + 0162 – ¢ (Cent symbol)
Alt + 0163 – £ (British Pound currency)
Alt + 0165 – ¥ (Japanese Yen currency)

How do you know, hardware problems or software problems on your computer?

আজকের দিনে কম্পিউটার এমন একটি মেশিন/যন্ত্র, যাকে ছাড়া এক মুহূর্তও কল্পনা করা যায় না। আর আপনি যদি একজন কম্পিউটার গুরু হোন, তো নিঃসন্দেহে প্রতিদিন ১৫ ঘণ্টা আপনার কম্পিউটারের সাথেই কাটে। আর এতো গুরুত্বপূর্ণ এই যন্ত্রটিতে যখন কোন সমস্যা দেখা দেয়, এর চেয়ে বিরক্তিকর ব্যাপার আর কিছু হতে পারে না (অন্তত আমার কাছে)। কিন্তু আরো মুশকিলের ব্যাপার এসে দাঁড়াতে পারে, এটা নির্ণয় করতে, কম্পিউটারটি হার্ডওয়্যার জনিত কারণে সমস্যা করছে, নাকি সফটওয়্যার থেকে সমস্যাটির সৃষ্টি হয়েছে? —কারণ বেশিরভাগ সময় সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার জনিত সমস্যার একই ফলাফল হতে পারে, তাই এটা ঠিকঠাক নির্ণয় করা অনেক কঠিন ব্যাপার হিসেবে প্রমাণিত হয়। এই আর্টিকেল থেকে আপনাকে কিছু নির্দেশ শেয়ার করার চেষ্টা করবো, যার মাধ্যমে আপনি সঠিক সমস্যাটি নির্ণয় করতে সক্ষম হবেন।

স্লো কম্পিউটার

কম্পিউটার স্লো হয়ে যাওয়া—আমার মতে প্রায় বেশিরভাগ কম্পিউটার ব্যবহারকারীর কাছে একটি কমন সমস্যা। হার্ডওয়্যার জনিত কারণে, আপনার কম্পিউটারটি হয়তো অন্যের কম্পিউটার থেকে স্লো মনে হতে পারে, কিন্তু আপনার কম্পিউটার সাধারন স্পীড থেকে স্লো হয়ে গেলে সেটা সবসময় সফটওয়্যারেরই সমস্যা হয়। বেশিরভাগ সময়, আপনার কম্পিউটারের ক্ষমতার চেয়ে বেশি সফটওয়্যার ইন্সটল করলে এবং স্টার্টআপে (কম্পিউটার বুট নেওয়ার সাথে সাথে যে প্রোগ্রাম গুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে রান হয়ে যায়) অনেক প্রোগ্রাম এড করে রাখলে, আপনার কম্পিউটার স্লো হয়ে পড়তে পারে।
আবার বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার দ্বারা আপনার কম্পিউটারটি আক্রান্ত হয়ে পড়ার কারণেও আপনার কম্পিউটারটি স্লো হয়ে যেতে পারে। ম্যালিসিয়াস সফটওয়্যার গুলো অঝথা ব্যাকগ্রাউন্ডে রান হয়ে থাকে এবং কম্পিউটার থেকে রিসোর্স নষ্ট করে। তাছাড়া হতে পারে, হ্যাকার আপনার পিসিতে ম্যালিসিয়াস সফটওয়্যার ইন্সটল করিয়ে আপনার কম্পিউটারকে বটনেট হিসেবে ব্যবহার করছে, মানে আপনার কম্পিউটারকে হ্যাকার নিজের মতো করে ব্যবহার করছে, ফলে আপনি কাজ করতে গিয়ে আর স্পীড পাচ্ছেন  না।
আগেই বললাম, হার্ডওয়্যার সমস্যা থেকে খুব কম সময়ই কম্পিউটার স্লো হতে পারে। তবে আপনার কম্পিউটার সিপিইউ যদি অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়, তাহলে সিপিইউ তার সিস্টেমকে ঠাণ্ডা করার জন্য স্পীড নিজে থেকেই ডাউনক্লক করে নেবে, আর ফলে কম্পিউটার স্লো হয়ে গেলে, সেটা হার্ডওয়্যার জনিত কারণ হিসেবে আখ্যায়িত করা যাবে। —তাছাড়া সাধারনত হার্ডওয়্যার থেকে কম্পিউটার স্লো হয়না।

ব্লু স্ক্রীন অফ ডেথ

 আজকের দিনের কম্পিউটার গুলোর সাথে সাথে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমও অনেক উন্নতি পেয়েছে। যদি কথা বলি, উইন্ডোজ ১০ নিয়ে, যেটা বর্তমানের সবচাইতে লেটেস্ট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম, এটা আগের সকল উইন্ডোজ ভার্সন গুলো থেকে বেশি বিশ্বাসযোগ্য। তাছাড়া আজকের হার্ডওয়্যার গুলো তৈরির পদ্ধতিও পরিবর্তন হয়েছে, সাথে হার্ডওয়্যার ড্রাইভার গুলোর জন্যও করা হয় উচ্চমানের প্রোগ্রামিং—যাতে হার্ডওয়্যার গুলো বিন্দু মাত্র সমস্যা ছাড়া অপারেটিং সিস্টেমের সাথে কাজ করতে পারে। তাই স্বাভাবিকভাবে এখন আর উইন্ডোজে ব্লু স্ক্রীন অফ ডেথ (Blue Screens of Death) খুব কমই দেখতে পাওয়া যায়।

ব্লু স্ক্রীন অফ ডেথ হলো একটি অনাকাঙ্ক্ষিত নীল স্ক্রীন আলার্ট, যখন উইন্ডোজ কোন ক্রিটিক্যাল সমস্যায় পড়ে এবং সেটা রিকভার করতে পারে না, সাধারনত তখনই এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। আপনার কম্পিউটার চলতে চলতে যেকোনো মুহূর্তে হঠাৎ করে হ্যাং হয়ে যায় এবং একটি নীল স্ক্রীন প্রদর্শন করে, যেখানে একেক সময় একেক এরর ম্যাসেজ শো করতে পারে, তারপরে আপনার কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিস্টার্ট হয়ে যায়।
মনে রাখবেন, বেশিরভাগ সময়ই এই সমস্যা আপনার কম্পিউটার হার্ডওয়্যার জনিত কারণে ঘটে থাকবে। তাছাড়া গরিবভাবে প্রোগ্রাম করা হার্ডওয়্যার ড্রাইভারের জন্যও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে যখনই এই ব্লু স্ক্রীন অফ ডেথ আপনার সামনে প্রদর্শিত হবে, এর সাথে এটি কেন আসলো তার এরর ম্যাসেজও প্রদর্শিত করে, এরর ম্যাসেজটি দ্বারা গুগল করে আপনি কারণটি জানতে পারবেন। তাছাড়া যদি আপনার কম্পিউটারে বারবার এই সমস্যা দেখাতেই থাকে, তবে সম্পূর্ণ উইন্ডোজ রি-ইন্সটল করুণ, এবং লেটেস্ট হার্ডওয়্যার ড্রাইভার ইন্সটল করুণ। তারপরেও যদি এই সমস্যা না দূর হয়, তবে নিশ্চিত থাকুন এটা আর কোন সফটওয়্যার সমস্যা নয়, আপনার কম্পিউটার হার্ডওয়্যার থেকেই সমস্যাটির সৃষ্টি হচ্ছে।

বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ফেইল থেকে সৃষ্ট সমস্যা

#হার্ডড্রাইভ; মনে রাখবেন, আপনার কম্পিউটারের যখন হার্ডওয়্যার ফেইল করবে, সেটা থেকে তৎক্ষণাৎ সমস্যার সৃষ্টি ঘটবে। যেমন হঠাৎ আপনার কম্পিউটার অফ হয়ে যাবে আর অন হতে চাইবে না, বা ডিভিডি রমের সমস্যা হলে, কোন ডিভিডি সাপোর্টই করবে না। কিন্তু সফটওয়্যার প্রবলেম সাধারনত অনেক দের পর্যন্ত লক্ষ্য করা যায়। যেমন- আপনার কম্পিউটার ধীরেধীরে স্লো হয়ে যাচ্ছে, দিনের দিনের পর বেশি বেশি করে কম্পিউটার রিস্টার্ট নিচ্ছে, ইত্যাদি। আপনার কম্পিউটারে হার্ডড্রাইভ ফেইল করলে, বিশেষ করে ফাইল গুলো করাপ্টেড হয়ে যাবে এবং কোন ফোল্ডার বা ফাইল ওপেন করতে বা হার্ডড্রাইভ অ্যাক্সেস করতে অনেক সময় লেগে যাবে। আবার ক্রিটিক্যালভাবে হার্ডড্রাইভ ফেইল করলে কম্পিউটার বুটই নিতে চাইবে না—কেনোনা অপারেটিং সিস্টেম ফিজিক্যালি হার্ডড্রাইভেই থাকে।
#প্রসেসর; আপনার কম্পিউটার প্রসেসর বা সিপিইউ যদি কোন কারণে ফেইল করে—নিঃসন্দেহে আপনার কম্পিউটার বুট নেবে না। তবে যদি সিপিইউতে কোন সমস্যা দেখা দেয়, যেমন- সিপিইউ ওভার হিটিং প্রবলেম, তবে কম্পিউটার স্লো কাজ করতে পারে, কেনোনা সিপিইউ সিস্টেমকে ঠাণ্ডা রাখতে নিজের পারফর্মেন্স কমিয়ে দেবে। সিপিইউ এর উপর ওভারলোড দেওয়া হলে বিশেষ করে সিপিইউ ওভারহিট জেনারেট করতে পারে। যেমন- ভারি গেমিং করলে, ভিডিও বা ৩ডি গ্রাফিক্স রেন্ডার করার সময় সিপিইউ ওভারহিট হয়ে যেতে পারে, এতে কম্পিউটার স্লো হয়ে যায়।
#র‍্যাম; র‍্যাম ফেইল করলে বারবার কম্পিউটারে ব্লু স্ক্রীন অফ ডেথ প্রদর্শিত করতে পারে। তাছাড়া র‍্যাম ফেইল করার মাধ্যমে, এটি ঠিকঠাক মতো ডাটা প্রসেসরকে সরবরাহ করা থেকে ব্যর্থ হতে পারে, ফলে আপনার কম্পিউটার সিস্টেমটি সম্পূর্ণভাবে কাজ করা থেকে বিরত হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া ঘনঘন অ্যাপ্লিকেশন ক্র্যাশ করা, অ্যাপ্লিকেশন হ্যাং হয়ে যাওয়া, ঠিকঠাক মতো সফটওয়্যার রান না হতে পারা—এই সমস্যা গুলো র‍্যামের ফেইল হওয়ার কারণে ঘটতে পারে।
#জিপিইউ; জিপিইউ বা গ্রাফিক্স কার্ড, আপনার কম্পিউটারের সকল গ্রাফিক্সকে হান্ডেল করে। এতে সমস্যা দেখা দেওয়ার কারণে আপনার ডেক্সটপ হ্যাং হয়ে যেতে পারে, গেম হ্যাং হয়ে যেতে পারে, ভিডিও এনকোডিং এ এরর হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া গ্রাফিক্স ড্রাইভারকে ক্র্যাশ করে দিতে পারে, এতে ডেক্সটপ স্ক্রীন ব্ল্যাক হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া জিপিইউ ওভারহিটিং হওয়ার ফলে গেমে আটকা আটকি নজরে আসতে পারে।
#ফান; আপনার কম্পিউটারের ফান কোন কারণে কাজ করা বন্ধ করে দিলে, সিস্টেম সহজেই ওভারহিট হয়ে যাবে, ফলে পারফর্মেন্স ডাউন হবে। সিপিইউ, জিপিইউ ওভারহিট হলে উপরের বর্ণিত সমস্যা গুলোর সৃষ্টি হতে পারে, তাছাড়া অত্যাধিক ওভারহিটিং প্রবলেম কম্পিউটারের যেকোনো হার্ডওয়্যার ইউনিটকে ধ্বংস করে ফেলতে পারে। এমনকি আপনার কম্পিউটার চিকেন তান্দুরিতেও পরিণত হতে পারে।
#মাদারবোর্ড; যেহেতু আপনার সম্পূর্ণ সিস্টেমটিই মাদারবোর্ডের উপর বসানো থাকে, তাই এটি ফেইল হলে আপনার কম্পিউটারের ক্রিটিক্যাল ড্যামেজ দেখা দিতে পারে। প্রথমত আপনার কম্পিউটারে ব্লু স্ক্রীন অফ ডেথ প্রদর্শিত করতে পারে। তারপরে কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে অফ/অন/রিস্টার্ট প্রবলেম দেখা দিতে পারে এবং বারবার এটি ঘটতেই থাকছে, এমনটা হতে পারে। তাছাড়া আপনার কম্পিউটার থেকে পোড়া গন্ধ বেড় হতে পারে, এবং যেকোনো হার্ডওয়্যার ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। আপনি যদি দেখতে পান, একে একে আপনার সকল হার্ডওয়্যার গুলো ড্যামেজ হয়ে যাচ্ছে, তবে হতে পারে সেটা মাদারবোর্ড প্রবলেম।
#পাওয়ার সাপ্লাই; পাওয়ার সাপ্লাই ফেইল করার কারণে আপনার কম্পিউটার পুড়ে কাবাবে পরিণত হতে পারে। ত্রুটি যুক্ত পাওয়ার সাপ্লাই আপনার কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারে ওভার ভোল্টেজ সরবরাহ করতে পারে, ফলে সব পার্টস পুড়ে বা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

সিদ্ধান্ত

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে আপনার নিশ্চয় মোটামুটি ভালো ধারণা হয়ে গেছে, হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার আপনার কম্পিউটারে কি কি ধরনের সমস্যা ঘটাতে পারে। তবে কিছু কিছু সমস্যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার উভয় কারনেই ঘটতে পারে, যেমন ব্লু স্ক্রীন অফ ডেথ। তাহলে কিভাবে বুঝবেন, কার সমস্যা?
প্রথমে আপনার কম্পিউটারটির ডাটা ব্যাকআপ করে নিন, এবং উইন্ডোজ রি-ইন্সটল করুণ। উইন্ডোজ ফ্রেস ইন্সটল করার পরে আগের হার্ডওয়্যার ড্রাইভার গুলো ইন্সটল না করায় ভালো, নতুন আপডেটেড ড্রাইভার ডাউনলোড করুণ এবং আপনার সিস্টেমে ইন্সটল করুণ। সাথে কম্পিউটারে ম্যালওয়্যার স্ক্যান করুণ, দেখুন ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন কিনা। এবার লক্ষ্য করুণ, আগের সমস্যা গুলো পুনরায় ঘটছে কিনা। যদি আপনার কম্পিউটার এই পর্যায়ে এসে ঠিক হয়ে যায়, তবে অবশ্যই এতে সফটওয়্যারের জন্য সমস্যা ছিল, কিন্তু যদি এখনো আগের সমস্যা গুলো থেকেই যায় তাহলে এখানে সফটওয়্যারের আর কোন সমস্যা নেই। তাহলে অবশ্যই আপনার সিস্টেমে হার্ডওয়্যার প্রবলেম দেখা দিয়েছে। আর সমস্যা দূর করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই হার্ডওয়্যার রিপ্লেস বা আর না হলে কম্পিউটার ফিক্স করতে হবে।

শেষ কথা

আশা করছি এই আর্টিকেল পড়ার পরে আপনার কম্পিউটারের সাথে কি ধরনের প্রবলেম হচ্ছে, সেটা নির্ণয় করা অনেকটা সহজ ব্যাপার হবে, যদিও এখানে এ-জেড বিষয় গুলো আলোচনা করা সম্ভব হয় নি, তারপরেও আপনার মোটামুটি ধারণার পাওয়ার জন্য যথেষ্ট আলোচনা করা হয়েছে।