Exceptional Graphic Design & Premium Printing

We help bring your brand to life with stunning visuals and high-quality printed materials. Let's start your project today.

Explore Our Work
Creative Design

Our Services

Graphic Design

Professional logo design, corporate branding, social media kits, and UI/UX layouts tailored for your business.

Printing Solutions

High-end business cards, flyers, brochures, custom t-shirt printing, and premium product packaging.

Brand Identity

We build a complete, cohesive visual identity system that helps your business stand out from the competition.

Packaging Design

Creative and structure-focused label, bottle, and box packaging designs that elevate your product presence.

Visual Content

High-engaging vectors, custom illustrations, infographics, and motion graphics for digital media.

Marketing Campaigns

End-to-end promotional visuals, banner ad designs, and print materials for seamless brand campaigns.

Our Recent Portfolio

Project 1

Modern Brand Identity

Complete corporate rebranding project including minimalist logo, stationery, and color psychology implementation.

Project 2

Premium Box Packaging

Eco-friendly and luxury product box design with precise die-cut guidelines for printing presses.

Project 3

Commercial Flyer Printing

Eye-catching high-resolution promotional flyers designed and calibrated for offset printing processes.

Project 4

Social Media Banner Kit

A set of high-converting social media templates designed to maintain brand uniformity across channels.

Project 5

Corporate UI/UX Design

Modern, user-centric website interface design wireframes optimized for both web and mobile displays.

Project 6

Custom Vector Illustration

Flat and modern vector artworks carefully layered for marketing materials and websites.

Project 7

Luxury Business Cards

Minimalist business card concepts designed with spot UV and gold foil textures in mind.

Project 8

Creative App Icons

Distinctive, memorable application icon designs crafted following modern design systems.

Project 9

Book Cover Graphics

Artistic and eye-catching book cover layout designed for standard commercial publishing sizes.

About Us

Who We Are

We are a team of passionate graphic designers and printing experts dedicated to transforming your creative ideas into reality. With years of experience in the creative industry, we bridge the gap between digital art and physical prints.

Whether you need a modern logo or bulk commercial printing, we ensure top-notch quality, timely delivery, and unparalleled support.

Work With Us

Get In Touch

Have a project in mind or want a custom quote? Reach out to us through any of the channels below.

Email Us

info@yourdomain.com

Call Us

+880 1234 567890

Our Studio

Dhaka, Bangladesh

Showing posts with label design. Show all posts
Showing posts with label design. Show all posts

Thursday, June 22, 2017

Your PC Additional Internet Data Costs

Over Data Charging বা অতিরিক্ত ডাটা চার্জ। প্রায় সব ব্যবহারকারীই প্রথম অবস্থায় এই সমস্যার সম্মুখীন হন।

কাজের ধারাঃ

প্রথমে আপনার কম্পিউটারের স্টার্ট মেনুতে যান। এরপর নিচের স্ক্রিনশট গুলো পর্যায়ক্রমে ফলো করুন।
প্রথমে নিচের চিত্রের মত Start মেনু থেকে Control Panel এ যান।


তারপর System & Security এর আইকনে ক্লিক করুন (View By Category Mode করে নিয়েন Right Corner থেকে তাহলে নিচের মত আসবে)


তারপর নিচের চিত্রের মত Windows Update এ ক্লিক করুন


তারপর নিচের মত Change Settings এ ক্লিক করুন


এখান থেকে নিচের মত সর্বশেষ (Never Check For Updates) লেখাটিতে ক্লিক করে OK দিন।


ব্যাস ১ম পর্যায়ের কাজ শেষ।

২য় পর্যায়- (ব্রাউজারে ডাটা সেভার চালু করা)
এ পর্যায়ে জনপ্রিয় ২টা ব্রাউজারে (Google Chrome & Mozila) ডাটা সেভার অন করার প্রক্রিয়া দেখানো হবে।
প্রথমে চরম ব্রাউজারে ওহ সরি, ক্রোম ব্রাউজারে ঢুকুন এবার স্টেপ বাই স্টেপ স্ক্রিনশট ফলো করুন-


Then


Then,,নিচের মত সা্র্চ বক্সে Data Saver লিখে এন্টার চাপুন 


তারপর Add Extensions এ ক্লিক করলেই ব্রাউজারে ডাটা সেভার অন হয়ে যাবে।


তারপর নিচের এ্যারো চিহ্নের মত আইকনটিতে ক্লিকে দেখুন আপনার ডাটা সেভার কাজ শুরু করে দিয়েছে।(অন অফ করতে ব্লু টিক চিহ্নে ক্লিক করবেন)


ব্যাস ক্রোমের কাজ শেষ। এবার মর্জিনা খালার পালা। 
আই মিন মজিলা ফায়ারফক্সের পালা।
তো প্রথমে আপনার মজিলাতে ঢুকুন তারপর স্টরপ বাই স্টেপ নিচের চিত্রগুলো ফলো করুন-








ব্যাস আপনার সবকাজ শেষ।
এই পদ্ধতিগুলো অনুসরন করে আপনি পূর্বের থেকে অনেক বেশী ডাটা সাশ্রয় করতে পারবেন। 

কারো বুঝতে কোনো সমস্যা হলে নিচের ভিডিও দেখে সহজেই কাজগুলো করতে পারেন। এই পোস্টের স্টেপ বাই স্টেপ ভিডিও লিংক-

Our 7 Technical Misconceptions

এই আর্টিকেলটি হয়ত একটু বোরিং হতে চলেছে কেননা আজ আমরা আলোচনা করব আমাদের ৭টি প্রযুক্তিগত ভুল ধারনা নিয়ে ।

বেশি কোর বেশি স্পীড :

মাদের ল্যাপটপ, মোবাইলে প্রোসেসর লাগানো থাকে ; যেখানে আমরা দেখতে পারি একাধিক কোর।ডুয়াল কোর, কুয়াড কোর, হেক্সা কোর যত বেশী কোর তত স্পীড। আমরা এই বিশ্বাসই সবসময় করে থাকি। আমার ফোন কোয়াড কোর, ওক্টাকোর,হেক্সাকোর এইসব বলে থাকি। কিন্তু কোর দিয়ে প্রোসেসর এর মান যাচাই করা বোকামী ছাড়া আর কিছু না। আপনার ফোনে ১০ কোর এর প্রোসেসর ; অন্যদিকে অ্যাপেল এর এ৯,এ১০ প্রোসেসর এসে আপনার ফোনকে একদম গুড়িয়ে দিয়ে চলে যাবে ; যেখানে দেখা যাবে তাদের কোর সংখ্যা মাত্র ২ টি। তাই বেশী কোর বেশী স্পীড এ ধারনা দূরে সরে দিয়ে ; ভালো ব্যান্ড এর প্রোসেসর ভালো স্পীড এ কথায় বিশ্বাসী হতে হবে।

বেশি সাইজ – ভালো ভিডিও কোয়ালিটি :

অনেক সময় আমরা বলে থাকি যে ৪কে ভিডিও এইচডি এর অপেক্ষা আরও বেশী ক্লিয়ার। আবার অনেক সময় আমরা যখন সিনেমা ডাউনলোড করি ২ জিবি ; তখন ভাবি এটা অবশ্যই ১ জিবি একই সিনেমার থেকে আরও ভালো কোয়ালিটির হবে। এটা আসলে বলতে গেলে ভুল ধারনা। এখানে এটিও নির্ভর করে সেটা ভিডিওর এনকোডিং কিভাবে করা হয়েছে, সোর্স ফাইল এর সাইজ কত ইত্যাদি। তাই শুধু ওই ভিডিও এর রেজুলেশন এবং সাইজ দিয়ে আপনি ভিডিও কোয়ালিটি বিচার করতে পারবেন না। ৫০ লক্ষ টাকার রেড ৬কে ক্যামেরা এবং আইফোন ৭ একইসাথে রেখে ভিডিও করলে ৯৫% একই মানের ফুটেজ পাওয়া সম্ভব।

তেলের পাম্পে মোবাইল ফোন বন্ধ করুন :

আমাদের দেশে একটি বিষয় প্রচলিত আছে ; তা হল তেলের পাম্পে। পেট্রোল পাম্পে মোবাইলে কথা বলা যাবে না ; কথা বললে বা ফোন চালু রাখলে বিস্ফোরন হতে পারে। আরে ভাই ফোনের ভিতর কী কয়লার খনি আছে আছে যে আগুন লাগবে? আর আগুনে পেট্রোল ব। তেল বিস্ফোরিত হবে। সুতরাং এর পর থেকে গ্যাস স্টেশন / তেলের পাম্পে মোবাইলে কথা বলুন, চালু রাখুন বা পাম্পে দিয়ে মোবাইল ভাঙ্গাভাঙ্গি করুন ; কিছুই হবেনা। 


গরিলা গ্লাস মানে কথাই নাই :

আমরা ভাবি আমদের ফোনে গরিলা গ্লাস রয়েছে ; মানে আমাদের ফোন ভাঙ্গার,স্ক্র্যাচ পরার কোন ভয়ই নেই। তবে এটা ভুল ধারনা। গরিলা গ্লাস একটু মজবুত বেশী, স্ক্র্যাচ কম পরে ; তবে একদমই ভাঙ্গেনা বা স্ক্র্যাচ পরে না এটা ভুল ধারনা। আপনার গরিলা গ্লাসওয়ালা ফোন বালুর ওপর একটু ঘসলেই টের পাবেন। আবার অনেক ক্ষেত্রে হাত থেকে পরে গরিলা গ্লাসও ভেঙ্গে যায়; এখন সেটা ভিত্তি করে ঘটনার ওপর। হাতুর দিয়ে পিটালে বুলেট প্রুফ গ্লাসও বেঙে যায়।

বিমানে ফোন বন্ধ রাখতে হবে :

যদিও এই আর্টিকেলটি যারা পরছেন এর ভিতর বিমানে যাতায়াত করে এমন মানুষ হয়ত ১%। তবুও জেনে রাখা ভালো। বিমানে ওঠার ক্ষেত্রে আমরা নানা কথা শুনি ; ফোন এরোপ্লেন মোড এ রাখতে হবে, ফোন ওফ করতে হবে ; না হলে বিমানে রেডিও সিংনাল কে বাধাগ্রস্হ করবে ; আর বিমান রাডার এর সাথে সংযোগ রাখতে পারবে না ক্র্যাস করবে। 

মোবাইল এর সিংনাল প্রযুক্তি আর বিমান এর রেডিং প্রযুক্তি একদম আালাদা ; এই দুটি এক হয়ে সমস্যা সৃষ্টি করার কোন প্রশ্নই আসে না। যেমন : গরু ছাগল একি মাঠে ঘাষ খায় কেউ কারো সমস্যা করে না ?।

যতবেশী Mah – ততবেশী ব্যটারি ব্যাকআপ

ব্যাটারির যত বেশী এমএএইচ তত বেশী ব্যাকআপ দিবে ফোনকে! এমেএইচ বেশী মানে ক্যাপাসিটি বেশি এটা ঠিক ; তবে কত ব্যাকআপ দিবে তা নির্ভর করবে আপনার ডিভাইস এর হার্ডওয়্যার এর ওপর। এখন আপনার ডিভাইস এর ডিসপ্লে বেশী এনার্জি কনজিউম করে, আর আপনার ব্যাটারি ৩০০০ Mah তখন দেখা যাবে ২০০০ Mah এর ডিভাইস থেকে আপনার ডিভাইস তাড়াতাড়ি শেষ হচ্ছে।


ডলবি সাউন্ড মানে ফাটাফাটি :

অনেক সময় আমাদের কেনা ডিভাইস এ লেখা থাকে ডলবি সাউন্ড টেকনোলজি। অর্থাত ডলবি সাউন্ট ব্যবহার করা হয়। এতে আমরা মনে আমাদের ডিভাইস এর অডিও আউটপুট হবে মধুর। এটিও ভুল ধারনা এখন আপনি যদি লো কোয়ালিটি গান তুলে শোনেন তাহলে ডলবি কিছুই করতে পারবেনা ; অর্থাত নির্ভর করে মূল সোর্স কোন কোয়ালিটির তার ওপর। আবার যদি ফুটপাত থেকে ১০ টাকা দিয়ে হোডফোন কিনে গান শোনেন তখনও ডলবি কিছু করতে পারবে না।

How does the photocopier machine work? Digital and analog methods - How does the scanner work?

ফটোকপি মেশিন এর সাথে তো অনেকেরই পরিচয় আছে; তা আপনারা ব্যবহারও করেছেন। সাদা-কালো,কালার,ছোট-বড় বিভিন্নভাবে ফটোকপি করেছেন। আপনি কি জানেন কিভাবে এটি কাজ করে? 

অ্যানালগ পদ্ধতি :
এখানে মেশিন দেখতে অনেক বড়; তবে ভিতরের যে কনসেপ্ট তা খুবই সিম্পল।এখানে খুব সহজেই যেকোন কাগজ;যা মুদ্রিত বা লিখিত খুব সহজেই কপি করা যায়।তবে কিভাবে? এখানে প্রথমে হয় কি; সেটা হল যে গ্লাসটা থাকে সেখানে আপনি আপনার কাগজটি রাখেন।এখানে নিচে থেকে একটা আলো স্ক্যান করে সেই কাগজকে।আর এই সময় যা হয়; ওই আলো আসে আপনার কাগজের ওপর আর সেখান থেকে সেটি; প্রতিফলিত হয়ে চলে যায় নিচে একটি বড় ড্রামের ওপর। এখানে আপনার কাগজে যা আছে প্রতিফলিত আলো ওই একই প্যাটার্নেই থাকবে। আর কাগজ যে একটি আলো স্ক্যান করা শুরু করল ড্রামটিও ঠিক একই মুহূর্তে ঘোরা শুরু করবে।

এখানে ওই ড্রামটি ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক্যালি চার্জড অবস্হায় থাকে। এখানে কাগজের ছাপা অংশ কোন আলো প্রতিফলিত করে না। তাই এখানে ড্রামের অন্ধকার অংশ যেখানে আলো পরেনি;তা পজিটিভ চার্জে চার্জিত হত। আর ফটোকপি মেশিন এর ভেতর থাকে একটি টোনার; যা থেকে প্রতিনিয়ত কালি স্প্রে হতে থাকে; এই কালিটি হয় নেগেটিভ চার্জে চার্জিত হয়ে থাকে। তাই এটি ড্রাম এর পজিটিভ অংশের সাথে আঠারমত আটকে থাকে।এর ভেতর যখন কাগজ ঢুকানো হয়;একে পজিটিভ চার্জে চার্জিত করা হয় এবং ড্রাম থেকে কার্বন পাউডার এর প্যাটার্ন তার গায়ে তুলে আনে। এরপর গরম রোলারে কাগজকে চালিয়ে কালিকে পার্মানেন্টভাবে কাগজের গায়ে লেগে দেয়া হয়।অত:পর বেরিয়ে আসে সেই কপি হওয়া কাগজ। এই পদ্ধতিটি বহু আগে থেকে চলে আসছে। ফটোকপির এই প্রক্রিয়াটি অ্যানালগ পদ্ধতি।


ডিজিটাল পদ্ধতি :
তবে বর্তমানে ধীরে ধীরে যে নতুন ফটোকপি সিস্টেমটি প্রচলিত হচ্ছে; এটি ডিজিটাল পদ্ধতি এবং এর কনসেপ্ট পুরোপুরি আলাদা। এখানে কপি হওয়া পেজ এর সাইজ সাইজ ছোট করা যায়, কালার কনট্রাস্ট বদলানো যায়; আবার তা ডিজিটালি স্টোর করা যায়। এখানে কনসেপ্টটা পুরোপুরিভাবে চেঞ্জড। এখানে আপনার কাছে যা থাকে তা হল একটি সেন্সর। যা মূলত আপনি যে কাগজ এর ফটোকপি করবেন তার একটি ছবি ক্লিক করে।এখানে প্রিন্টিং প্রোসেস একই, তবে আগের মত ওই লাইট রিফ্লেকশন প্রক্রিয়ায় বদলে এখানে করছে ডিজিটাল লেসার বা ক্যামেরা প্রক্রিয়া। এখানে আপনি কাজটি হচ্ছে সিম্পল ছবি ক্লিক করার মাধ্যমে। যা হচ্ছে একটি CCD সেন্সর এর মাধ্যমে। যার পূর্নরূপ হচ্ছে Charge Coupled Device। এটি একধরনের সেন্সর যা আগেকার ক্যামেরায় ব্যবহার করা হত। তবে বর্তমানে ক্যামেরায় BSI, CMOS এর মত আরও উন্নত উন্নত সেন্সর ব্যবহার করা হয়। তবে ফটোকপি মেশিনে CCD দিয়ে কাজ চলে যায়।

এখন স্ক্যানার এর কনসেপ্টটাও একই; আপনি কম্পিউটারে যে স্ক্যানার ডিভাইস ব্যবহার করেন; তা একইভাবে ডকুমেন্ট কম্পিউটারে ডিজিটালি স্টোর করে।

Monday, June 12, 2017

Some simple steps to speed up Windows is Slow. (Video)

আজকে কিছু বেসিক এবং খুব সহজ কিছু পদ্ধিতি দেখাবো যেগুলো আপনার পিসিকে স্লোর হাত থেকে বাঁচাবে। আমরা অনেকেই এর ভুক্তাভুক্তি। কিন্তু জানা সত্তেও এই কাজ গুলো করি না। এর ফলে অনেক দিন ধরে উইন্ডোজ চালানোর পর দেখা যায় আমাদের উইন্ডোজটি ধীরে ধীরে স্লো হয়ে যায়। এর কারণ কিছু ফাইল আমাদের র‍্যামে জায়গা খেয়ে থাকে এবং তা দিন দিন বারতে থাকে, কিন্তু এই ফাইল গুলো ওই সময়ের জন্য প্রয়োজন লাগে পরবর্তীতে লাগে না, ডিলিট করে দিলে পরে আবার যখন ওই ফাইল রিলিটেড অ্যাপ্লিকেশান চালু করবেন অটো আবার ফাইল গুলো চলে আসবে।
এই পোস্টটি মুলত নতুন পিসি ইউজারদের জন্য। যারা বেশি দিন হয়নি পিসি কিনেছেন এই কাজ গুলো করলে আপনার পিসি কখনো স্লো হবে না আশা করি। নিচে ভিডিওটি দেখে শিখে নিন এবং কোন সমস্যা কমেন্ট করবেন।

Monday, June 5, 2017

Windows 10 Keyboard Raccourcis

শর্টকাট মানেই তো সহজ পথ। তেমনি কি -বোর্ডের শর্টকাটের মাধ্যমে কম্পিউটারের অনেক কাজ করা যায় অতি সহজেই। এতে কাজে গতি বৃদ্ধির পাশাপাশি অনেক সময় বেঁচে যায়।
সম্প্রতি উন্মুক্ত হওয়া উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে যুক্ত হয়েছে বেশি কিছু নতুন কি-বোর্ড শর্টকাট। যেগুলো জানা থাকলে নতুন এ ওএস ব্যবহার করা হবে যাবে আরও সহজে।
নতুন বৈশিষ্ট্যগুলো ব্যবহারের জন্য রয়েছে নতুন নতুন শর্টকাট। এ টিউটোরিয়ালে উইন্ডোজ ১০-এর ১০টি শর্টকাট তুলে ধরা হলো। আপনাকে আর খুঁজে খুজে প্রতিটি শর্টকাট বের করতে হবে না।
Windows key +I চাপলে সেটিংস অপশন চালু হবে।
Windows key +A চাপলে নোটিফিকেশন সেন্টার খুলবে।
Windows key +Ctrl+Left চেপে ভার্চুয়াল ডেস্কটপ পরিবর্তন করে বামে যাওয়া যাবে।
Windows key +Ctrl+Right চেপে ভার্চুয়াল ডেস্কটপ পরিবর্তন করে ডানে যাওয়া যাবে।
Windows key +Ctrl+D চেপে নতুন ভার্চুয়াল ডেস্কটপ খোলা যাবে।
Windows key +Ctrl+F4 চেপে ভার্চুয়াল ডেস্কটপ বন্ধ করা যাবে।
Windows key + Left চেপে স্ন্যাপ উইন্ডো বাম সাইডে আনা যাবে।
Windows key + Right চেপে স্ন্যাপ উইন্ডো ডান সাইডে আনা যাবে।
Windows key + Tab চাপলে সব ভার্চুয়াল ডেস্কটপ একই সঙ্গে দেখা যাবে।
Windows key +S চাপলে ভয়েস কমান্ডের সেবা দিতে কর্টানা হাজির হবে।

Useful information should be kept secret

সাধারণত ক্রেডিট কার্ডের তথ্য, পাসওয়ার্ড বা গুরুত্বপূর্ণ যেকোনো তথ্য যাতে অসাবধানতায় অন্য কারও হাতে না পড়ে, সে জন্য তার নিরাপত্তা খুবই জরুরি। তৃতীয় পক্ষের (থার্ড পার্টি) অনেক সফটওয়্যার দিয়েই তথ্য গোপন রাখার কাজটি সারা যায়। তবে উইন্ডোজের কমান্ড প্রম্পট ব্যবহার করে খুব সহজেই তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে।
যা করতে হবে
শুরুতেই যে তথ্যগুলো লুকাতে চান, সেটি একটি নোটপ্যাড টেক্সট ফাইল বা ওয়ার্ড ডকুমেন্টে লিখে রাখুন। এবার Win Key + R চেপে রান চালু করুন। এখানে cmd লিখে এন্টার করে কমান্ড প্রম্পট চালু করুন। কমান্ড লাইনে F: লিখে এন্টার করুন। F-এর পরিবর্তে যেকোনো ড্রাইভের নাম লিখে সেখানেও ফাইলটি রাখতে পারেন। পরের কমান্ডে notepad ProthomAlo.txt:frdsmn.txt লিখে এন্টার করুন। এখানে লক্ষণীয়, ‘notepad’ লেখার পরের অংশে যে নামে ফাইলটি রাখতে চান, সেটি লিখতে হবে এবং কোলন (:) চিহ্নের পরের অংশে ফাইলের গোপন নাম লিখতে হবে। এখানে গোপন নাম দিয়েই পরবর্তী সময়ে সেই ফাইল খুলতে হবে। তাই সতর্কতার সঙ্গে ফাইলের নাম দুটি লিখুন। লেখা শেষে এন্টার বোতাম চাপলেই ‘Cannot find the…Do you want to create a new file?’ বার্তা দিয়ে জানাবে যে ওই নামের ফাইল কম্পিউটার খুঁজে পাচ্ছে না। এই নামে ফাইল খুলতে ইয়েস বোতাম চেপে আগের তৈরি করা ওয়ার্ড ফাইলের তথ্যগুলো এখানে লিখে বা পেস্ট করে CTRL+S চেপে নোটপ্যাডের ফাইলটি সেভ করে নিন। কমান্ড প্রম্পট উইন্ডোজ বন্ধ করে তৈরি ফাইলটি দেখতে চাইলে যে ড্রাইভে ফাইলটি রেখেছিলেন সেখানে যান। এবার তৈরি করা ফাইলে (ProthomAlo.txt) দুই ক্লিক করে খুললেই দেখবেন এখানে কোনো তথ্য দেখাচ্ছে না। ফাইলের তথ্যগুলো আবার দেখতে চাইলে আগের নিয়ম অনুসরণ করে কমান্ড প্রম্পট চালু করে নিন। যে ড্রাইভে (F:) এর আগে ফাইলটি সংরক্ষণ করেছিলেন, সেটি লিখে এন্টার করুন। তথ্য গোপনের জন্য এর আগে যে কমান্ডটি লিখেছিলেন, হুবহু সেটি আবার লিখে এন্টার চাপলেই সংরক্ষণকৃত তথ্যগুলো আবার দেখা যাবে। এভাবে পরের কোনো ফাইলের তথ্য গোপন করতে চাইলে আগের নিয়ম মেনে শুধু কমান্ড লাইনের গোপন নামটি (frdsmn.txt) বদলে দিয়ে পরের ধাপগুলো ঠিক ঠিক অনুসরণ করতে হবে।

The time or date in Windows 10 is incorrect

উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে অনেক সময় টাইম জোন ঠিক থাকলেও দেখানো সময়টা ভুল থাকে। এমনটা হলে সহজেই কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করে তা ঠিক করে নেওয়া সম্ভব। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের অন্য সংস্করণগুলোর মতোই পূর্বনির্ধারিত সময় বা তারিখ ঠিক করতে টাস্কবারের ডান পাশের কোনায় তারিখের অপশন থেকে সেট করা যাবে।
যা করতে হবে
টাস্কবারের ডান কোনার সময় এবং তারিখ দেখায় যেখানে, সেখানে ক্লিক করুন। ক্যালেন্ডারসহ সময় দেখাবে। এখানে Date and time settings লিংকে ক্লিক করুন। DATE & TIME সেটিংস চালু হলে Time zone এ খেয়াল করে দেখুন (UTC+6:00) Dhaka নির্বাচন করা আছে কি না। না থাকলে টাইম জোনের ড্রপডাউন তালিকা থেকে সেটি ঠিক করে নিন। এখন সঠিক সময় দেখতে পারবেন। না দেখালে আবার আগের নিয়মে সময় ও তারিখ সেটিংস চালু করে Set time automatically অপশন লেবেল সচল করে নিন। সঠিক সময় দেখতে পাবেন। লোকেশন সার্ভিস চালু করা না থাকলে স্বয়ংক্রিয় সময় সেটিংস চালু না করাই ভালো। তবে উইন্ডোজ টাইম সার্ভিস অপশন কনফিগার করা না থাকলেও অনেক সময় উলটা-পালটা তারিখ দেখাতে পারে। টাইম সার্ভিস কনফিগার করতে Win key + R একসঙ্গে চেপে রান চালু করুন। এখানে Services.msc লিখে এন্টার বোতাম চাপুন। টাইম সার্ভিস চালু হলে তালিকা থেকে Windows Time এন্ট্রি খুঁজুন। উইন্ডোজ টাইম এন্ট্রিতে রাইট ক্লিক করে properties নির্বাচন করুন অথবা ডাবল ক্লিক করতে পারেন। এবার General ট্যাবের Start type থেকে Automatic নির্বাচন করে নিচের Start বোতামে ক্লিক করুন। যদি ওপরের কৌশলগুলো কাজে না দেয় তবে নিজে (ম্যানুয়ালি) তারিখ ও সময় ঠিক করে দিতে পারেন। এতেও যদি কাজ না হয়, তবে ধরে নিতে হবে মাদারবোর্ডের সিমোস (CMOS) কিংবা বায়োস ব্যাটারিতে সমস্যা আছে।

What to do when watering on the computer?

ইলেকট্রনিকস যন্ত্রের সঙ্গে পানির সম্পর্ক ঋণাত্মক। পানিরোধী হলে ভিন্ন কথা, তবে যেকোনো তরল পদার্থের সংস্পর্শে এলে যন্ত্রপাতি কেমন যেন বেয়াড়া ছেলের মতো বিগড়ে যায়। হয় ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে, না হয় ঠিকঠাক কাজ করে না। তবে দ্রুত ব্যবস্থা নিলে হয়তো সাধের কম্পিউটার এ যাত্রায় রক্ষা করা সম্ভব হতে পারে। ধরে নিলাম ল্যাপটপ কম্পিউটারে কোনো কাজ করছেন, হুট করে এর ওপর এক গ্লাস পানি পড়ে গেল। এখন কী করবেন?
 প্রথমেই দেখে নিন আপনার হাত এবং কম্পিউটারের পাওয়ার বোতাম শুকনো কি না। দরকার হলে শুকনো তোয়ালের সাহায্য নিন। বৈদ্যুতিক শকের শখ থাকলে অবশ্য ভিন্ন কথা!
 কম্পিউটার বন্ধ করুন। স্টার্ট মেনুতে ক্লিক করে শাট ডাউন নির্বাচন করে অপেক্ষা করবেন? জরুরি অবস্থায় সরাসরি পাওয়ার বোতাম চেপে ধরুন, পাঁচ সেকেন্ডে কম্পিউটার বন্ধ হয়ে যাবে।
 বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিন। ল্যাপটপ কম্পিউটারের ব্যাটারি নন-রিমুভেবল না হলে ব্যাটারি খুলে ফেলুন। শক থেকে অন্তত এখন আপনি নিরাপদ।
 একে একে সব যন্ত্রাংশ খুলে ফেলুন। মানে যতটুকু সম্ভব। প্রথমে মাউস, ডেটা কেব্ল, পেনড্রাইভ—এসব। এরপর কম্পিউটারের পেছনের কভার খুলে যা সহজে খুলে ফেলা যায় যেমন র্যাম, হার্ডডিস্ক কিংবা এসএসডি খুলে ফেলুন।
 চটচটে কোনো তরল পড়লে পেশাদার মেরামতকারীর কাছে পরিষ্কারের জন্য পাঠানো ভালো। শুধু পানি পড়ে থাকে তবে নিজেই শুকিয়ে ফেলতে পারবেন। প্রথমে শুকনো কাপড় দিয়ে বাহিরটা মুছে ফেলুন। টেবিলে পানি পড়লে তা পরিষ্কার করে একটা শুকনো তোয়ালে বিছিয়ে দিন। এবার ল্যাপটপ কম্পিউটারের ঢাকনা খুলে তোয়ালের ওপর উপুড় করে কয়েক ঘণ্টা ওভাবেই রেখে দিন।
 এরপর সবকিছু আগের মতো ঠিকঠাক লাগিয়ে চালু করার চেষ্টা করুন। আশা করছি কাজ করবে। যদি চালু করা সম্ভব না হয় তবে মেকানিকের কাছে পাঠানো ছাড়া আর উপায় থাকছে না।

Annoying updates during Computer shutdown?

দিন কয়েক পরপরই উইন্ডোজ হালনাগাদ হতে দেখা যায়। উইন্ডোজ আপডেট চালু থাকলে এই হালনাগাদ আপনার অজান্তে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই হতে থাকে। এটা আপনার কম্পিউটারের নিরাপত্তার জন্যই। তবে কম্পিউটার বন্ধ করার সময়টায় এই হালনাগাদ করা সফটওয়্যার যখন ইনস্টল নেওয়া শুরু করে তখন তাড়াহুড়ার সময়টায় মাঝেমধ্যে খুব বিরক্তিকর মনে হয়। চাইলেই হালনাগাদ ইনস্টল ছাড়াই কম্পিউটার বন্ধ করা যায়।
যেভাবে বুঝবেন
উইন্ডোজ ৭ এবং সর্বশেষ সংস্করণ উইন্ডোজ ১০-এ সমস্যাটি বেশি দেখা যায়। কম্পিউটার বন্ধের সময় স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে যদি Shutdown লেখার সামনে কমলা রঙের শিল্ড ওয়ার্নিং আইকন দেখায় তবে তাতে ক্লিক করলে আপডেট ইনস্টল হয়ে তারপর কম্পিউটার বন্ধ হবে।
যেভাবে বন্ধ করবেন
যখন দেখবেন যে আপডেট করবে এমন দেখাচ্ছে তখন বিকল্পভাবে কম্পিউটার বন্ধ করতে পারেন। এ জন্য বেশ কয়েকটি পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।
 Windows Key + D চেপে ডেস্কটপে আসুন। এবার Alt + F4 বোতাম দুটি একসঙ্গে চাপুন। Shut Down Windows ডায়ালগ বক্স দেখাবে। এবার পুলডাউন মেন্যু থেকে Shut down নির্বাচন করে ওকে চাপুন।
 Windows key + L চেপে লক স্ক্রিনে যান। কম্পিউটারে একজন ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট থাকলে সরাসরি এবং একাধিক ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট থাকলে Swicth User চেপে নিচে ডান কোনায় পাওয়ার আইকনের পাশের অ্যারো চিহ্নে ক্লিক Shut down অপশনে ক্লিক করলে আপডেট ইনস্টল ছাড়াই কম্পিউটার বন্ধ হবে।
 আরও দ্রুত কম্পিউটার বন্ধ করতে চাইলে কমান্ড প্রম্পটে শাটডাউন কমান্ড চালিয়ে বন্ধ করতে পারেন। এ জন্য Windows key + R চেপে Run চালু করুন। এখানে cmd লিখে এন্টার করুন। কমান্ড প্রম্পট চালু হলে shutdown/s/f/t 0 (শেষে শূন্য) লিখে এন্টার করলে কম্পিউটার দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে।
এখানে একটি কথা বলে রাখা ভালো, কম্পিউটার ঠিকঠাক চলার জন্যই উইন্ডোজ আপডেট চালু রাখা জরুরি। পরে সময় সুযোগ বুঝে আপডেট করে নিতে ভুলবেন না।

Pen Drive Shortcut Virus?

অনেক সময় কম্পিউটারে পেনড্রাইভ যুক্ত করার পর ফাইল এবং ফোল্ডারগুলো দেখা যায় না। অথচ ফাইলগুলো যে পেনড্রাইভে আছে তা আপনি জানেন। এটা মূলত ‘শর্টকাট ভাইরাস’ নামে পরিচিত একধরনের ভাইরাসের জন্য হয়ে থাকে। কোনো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার না করেই এই শর্টকাট ভাইরাস দূর করা সম্ভব। হারিয়ে যাওয়া ফাইল এবং ফোল্ডারগুলোও ফিরে পাওয়া যায় সহজেই।
লুকানো ফাইলগুলো দেখতে
প্রথমে স্টার্ট মেনু থেকে কন্ট্রোল প্যানেলে যান। উইন্ডোজ ৮ এবং পরের সংস্করণগুলোতে কন্ট্রোল প্যানেল পেতে ডেস্কটপের নিচের বাম দিকে ডান ক্লিক করে Control Panel নির্বাচন করুন।
Folder Options চালু করে View ট্যাব নির্বাচন করুন।
Hidden files and folders-এর নিচে Show hidden files, folders and drives নির্বাচন করুন। তার ঠিক নিচেই Hide empty drives in the Computer folder এবং Hide protected operating system files চেক বক্স দুটি আনচেক করুন।
সবশেষে Apply করে OK করুন। পেনড্রাইভের যে ফোল্ডারগুলো হারিয়ে গিয়েছিল, সেগুলো দেখতে পাবেন।
ফাইল এবং ফোল্ডার দেখাচ্ছে বটে তবে কথা হলো কীভাবে ভাইরাসমুক্ত করবেন। ভাইরাস সরাতে—
স্টার্ট মেনুতে কিংবা Run থেকে cmd লিখে কমান্ড প্রম্পট চালু করুন।
কমান্ড প্রম্পটে ‘attrib-h-s-r-a/s/d X:*.*’ লিখে এন্টার করুন (X-এর বদলে আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার উল্লেখ করতে হবে)।
আপনার পেনড্রাইভের ফাইল এবং ফোল্ডারগুলোর সঙ্গে শর্টকাট ফোল্ডারেও দেখাবে। এখান থেকে শর্টকাট ফোল্ডার মুছে ফেলুন। ব্যস, হয়ে গেল।

The cool way to cool the laptop!

বেশিক্ষণ ধরে চালানোর ফলে আপনার ল্যাপটপ কি বেশি গরম হয়ে যায়? তামার কয়েন ব্যবহার করে ল্যাপটপের অতিরিক্ত গরম হওয়া ঠেকানো যায়। ল্যাপটপ ঠান্ডা রাখার অভিনব এ পথ বের করে টুইটারে তা পোস্ট করেন জাপানের অ্যাকিনোরি সুজুকি নামে এক ব্যক্তি। টুইটারে তাঁর পোস্ট করা ছবিতে দেখা যায়, ১০ ইয়েনের (জাপানি মুদ্রা) কয়েন (তামার কয়েন) স্তূপ করে তিনি ম্যাকবুক প্রোর স্ক্রিনের সামনে রেখেছেন। তাঁর দাবি, তামা ল্যাপটপ থেকে অতিরিক্ত তাপ শুষে নিতে পারে।
সহজ এ পদ্ধতিতে কম্পিউটার অতিরিক্ত গরম হওয়া ঠেকানো যাবে বলে দাবি করেছেন তিনি।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, কম্পিউটারে ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়ামের চেয়ে তামা অধিক তাপ পরিবাহী। থার্মোডাইনামিকসের সূত্র অনুযায়ী, ল্যাপটপে যে প্লাস্টিক বা অ্যালুমিনিয়াম থাকে, তার চেয়ে অধিক তাপ পরিবাহী ও শোষক হিসেবে কাজ করে তামা।
অবশ্য তাঁরা সতর্ক করে বলেন, পদ্ধতিটি ঠিকমতো পরীক্ষিত নয় বলে সবার ক্ষেত্রে সমান কাজ করবে, তার নিশ্চয়তা নেই। তবে কয়েকজন টুইটার ব্যবহারকারী এ পদ্ধতি ব্যবহার করে সফল হয়েছেন।
ল্যাপটপ ঠান্ডা রাখতে করণীয়
১. ভেতরের ফ্যান ঠিকমতো কাজ করছে কি না, তা পরীক্ষা করুন। অনলাইনে পাওয়া যায়, এমন ফ্যান পরীক্ষার সফটওয়্যার পাবেন।
২. ল্যাপটপের যেখান দিয়ে বাতাস বের হয়, সেখানে কোনো ময়লা জমেছে কি না, তা পরীক্ষা করুন। কাপড় বা ব্রাশ দিয়ে ময়লা পরিষ্কার করে ফেলুন।
৩. ল্যাপটপের জন্য একটি স্ট্যান্ড কিনুন। এতে ল্যাপটপ কম গরম হবে।
৪. ল্যাপটপে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম বেশিক্ষণ চালু রাখবেন না।
৫. বিছানার ওপর দীর্ঘ সময় ল্যাপটপ ব্যবহার করবেন না। শীতল পরিবেশে ব্যবহার করুন।
৬. বায়োস সেটিংস পরীক্ষা করে সেখান থেকে টেম্পারেচার সেটিংস সুবিধামতো পরিবর্তন করুন।

If the screen of Windows 7 is black

উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীদের অনেকের ডেস্কটপের মনিটর বা পর্দা হঠাৎ করে কালো হয়ে যায়। এরপর কম্পিউটার চালুর সময় উইন্ডোজ সক্রিয় করার জন্য একটি বার্তা দেখানো হয়। মাঝেমধ্যে এটি বেশ বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সাধারণত উইন্ডোজের নিবন্ধনের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে কিংবা পাইরেটেড কপি ব্যবহার করলে উইন্ডোজ সক্রিয় করাতে বলা হয়। এসব ক্ষেত্রে ডান পাশের নিচের দিকে Windows 7 licensed is expired, Build 7600 বার্তা দেখায়। চাইলে এটিকে বন্ধই করে দেওয়া যায় কোনো অ্যাকটিভেটর ব্যবহার না করে। মাইক্রোসফটের বিশেষ একটি সুবিধার সুযোগ নিয়ে ৯০ দিনের জন্য উইন্ডোজ ৭ বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যায়।
যা করতে হবে
ডেস্কটপের স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখলে cmd.exe আসবে, ওই আইকনে মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করে Run as administrator নির্বাচন করুন। এবার কমান্ড প্রম্পটে slmgr/dlv লিখে এন্টার করুন। কিছু সময় অপেক্ষা করলে একটি নতুন উইন্ডোর মাধ্যমে নিচ থেকে দ্বিতীয় লাইনে Remaining win…count-এ দেখাবে সর্বোচ্চ কতবার আপনি এ সুবিধাটি ব্যবহার করতে পারবেন। OK করে আবার কমান্ড লাইনে slmgr/rearm লিখে এন্টার করুন। কিছুক্ষণ পর একটি বার্তা জানিয়ে দেবে যে আপনার কাজটি সফল হয়েছে। এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
রিস্টার্ট করে আগের নিয়মে আবার গিয়ে একই কাজ আরও দুবার করে নিন। মনে রাখবেন, প্রতিবার কাজটি করার পর আপনাকে কম্পিউটারটি রিস্টার্ট করতে হবে। তিনবারে কাজটি শেষ হলে আপনার উইন্ডোজ ৯০ দিনের জন্য সক্রিয় হয়ে যাবে এবং মনিটরের পর্দা তখন আর কালো দেখাবে না। এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ৯০ দিনের জন্য উইন্ডোজ সক্রিয় করা গেলেও উইন্ডোজের সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে লাইসেন্সড উইন্ডোজ ব্যবহার করাই শ্রেয়।

Computer security

প্রত্যেক ব্যবহারকারীরই উচিত কম্পিউটারের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবা। ভাইরাস, ওয়ার্ম, হ্যাকিং, তথ্য চুরি রোধ করা সম্ভব কিছু নিয়ম মেনেই। এভাবেই বাড়ানো যায় কম্পিউটারের নিরাপত্তা।
ফায়ারওয়াল: ফায়ারওয়াল এক বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার ব্যবস্থা। এটি ইনকামিং এবং আউটগোয়িং ইন্টারনেট সংযোগ পর্যবেক্ষণ করে। হ্যাকারদের হুটহাট আক্রমণ এবং নিজে থেকেই ছড়িয়ে পড়া ওয়ার্ম প্রতিহত করতে ফায়ারওয়াল কাজ করে। এ ছাড়া কম্পিউটারের অনেক নিরাপত্তাব্যবস্থাও নিয়ন্ত্রণ করে। উইন্ডোজে অপারেটিং সিস্টেমে Run-এ গিয়ে firewall.cpl লিখে এন্টার দিন। ফায়ারওয়াল সেটিংস খুলে যাবে। এরপর প্রয়োজনে সক্রিয় করুন।
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
কম্পিউটারের নিরাপত্তার দায়িত্ব যদি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের ওপরই ছেড়ে দেওয়া হয়, তবে অবশ্যই ভালো মানের একটি অ্যান্টিভাইরাস বেছে নিন। বিনা মূল্যে অনেক অ্যান্টিভাইরাস পাওয়া যায় কিন্তু সেগুলোতে নিরাপত্তার সব সুবিধা থাকে না। যেটাই ব্যবহার করুন না কেন, অ্যান্টি ভাইরাস সব সময় হালনাগাদ করে নিতে হবে।
পাসওয়ার্ড বাছাই
অধিকাংশ ব্যবহারকারী ই-মেইল বা ফেসবুকের পাসওয়ার্ড বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সাবধান নয়। সহজেই মনে রাখা যায়, এমন পাসওয়ার্ড সবাই ব্যবহার করতে চায়। কিন্তু আপনার কাছে যেটি মনে রাখা সহজ, হ্যাকারদের কাছে সেটি অনুমান করা তার চেয়েও সহজ। তাই পাসওয়ার্ড বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কি-বোর্ডের বিশেষ অক্ষর !@#$%^& মিলিয়ে পাসওয়ার্ড (যেমন P@$$W%R#) ব্যবহার করুন। তাহলে হ্যাকার বা অন্য কেউ সহজে অনুমান করতে পারবে না, ফলে অনলাইনেও নিরাপদ থাকা যাবে।
সতর্ক থাকুন ইন্টারনেটে
ইন্টারনেটের যথাযথ ব্যবহার অনেকেই করতে পারে না। না বুঝে এবং আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দেখে হুটহাট তাতে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন। ই-মেইলের স্প্যাম ফোল্ডারে আসা ই-মেইলের লিংকে না বুঝে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন। এবং সতর্ক হোন কোন ধরনের তথ্য আপনি নামাতে (ডাউনলোড) চাচ্ছেন। ভুলবশত কোনো ওয়ার্ম বা ভাইরাস নামাচ্ছেন না তো? হ্যাকার এবং দুষ্কৃতকারীরা সব সময় আপনাকে আকর্ষণীয় ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন এবং ডলারের প্রলোভন দেখিয়ে আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। তাই আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার আগে ভেবে চিন্তে ক্লিক করুন। নয়তো এক ক্লিকেই কম্পিউটারের কখনো বা নিজের বিপদ ডেকে আনবেন।

What is the function of any key

F1 : উইন্ডোজকে সেফ মোডে খুলতে ব্যবহার করা হয়। উইন্ডোজসহ বেশির ভাগ সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে এটি হেল্প বাটন হিসেবেও কাজ করে।
F2 : উইন্ডোজ চালুর সময় বায়োসে প্রবেশ করতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই কি ব্যবহার হয়। কম্পিউটারে সিলেক্ট করা কোনো ফাইল বা ফোল্ডার রিনেম বা নাম পরিবর্তনও এটি চেপে করা যায়।
মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে কোনো ডকুমেন্ট খুলতে alt+ctrl+F2 ব্যবহার করা হয়।
F3 : উইন্ডোজ ডেস্কটপের ক্ষেত্রে এই বাটন সার্চের কাজ করে। এই কি (key) চেপে ডস মোডে লেখা সর্বশেষ লাইনটিও ফিরিয়ে আনা যাবে।
F4 : উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার বা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের ক্ষেত্রে এই বাটন অ্যাড্রেস বার খোলার কাজ করে। অ্যাক্টিভ উইন্ডো একবারে বন্ধ করতে alt+f4 ব্যবহার করা হয়।
F5 : যেকোনো ব্রাউজারের ক্ষেত্রে এই বাটন রিফ্রেশের কাজ করে।
মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে এই বাটন দিয়ে একবারে Find, Replace, Go to ডায়ালগ উইন্ডো খোলা যায়।
F6 : ব্রাউজারের ওয়েব অ্যাড্রেসে যেতে বা সিলেক্ট করতে এটি ব্যবহার হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই বাটন দিয়ে ভলিউমও কমানো যায়।
F7 : মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও আউটলুকের ক্ষেত্রে বানান ও ব্যাকরণ চেক করার জন্য ব্যবহার হয়। কিছু ল্যাপটপের ক্ষেত্রে এই বাটন দিয়ে ভলিউম বাড়ানো যায়।
F8 : উইন্ডোজকে সেফ মোডে খুলতে এই বাটন ব্যবহার করা হয়। কিছু কম্পিউটারে এটি দিয়ে উইন্ডোজ রিকভারি সিস্টেম শুরু করা যায়।
F9 : মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে এই বাটন রিফ্রেশের কাজ করে। কিছু ল্যাপটপের ক্ষেত্রে  এটি দিয়ে ব্রাইটনেস কমানো যায়।
F10 : যেকোনো অ্যাক্টিভ উইন্ডোজের ক্ষেত্রে এটি দিয়ে মেন্যু বার খোলা হয়। কিছু ল্যাপটপের ক্ষেত্রে এই বাটন দিয়ে ব্রাইটনেস বাড়ানো যায়।